ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
বসন্তকালের দুর্গাপুজো বাসন্তীপুজো নামে পরিচিত। বাংলার শেষ মাস, চৈত্রের শুক্লাপঞ্চমী তিথি থেকে শুরু হয় দেবী বাসন্তীর আরাধনা। চলে দশমী তিথি পর্যন্ত। চলতি বছর ২২ মার্চ পড়ছে বাসন্তীপুজোর পঞ্চমী, দশমী পড়ছে ২৭ মার্চ। বাসন্তীদেবীর আরাধনা করা মানে দেবী দুর্গারই আরাধনা করা।
শরৎকালে হওয়া দেবী দুর্গার পুজো আর বসন্তকালে হওয়া বাসন্তীপুজোর নিয়ম প্রায় একই। দুর্গাপুজোর মতো বাসন্তীপুজোতেও সন্ধিপুজো হয়। দশমীর দিন দেবীকে বরণ করার পর বিসর্জন করা হয়। বিশেষ কিছু জিনিস রয়েছে যা বাসন্তীপুজোর সময় কিনতে নেই। এর ফলে শনি এবং রাহুর মতো অশুভ গ্রহ রুষ্ট হয়। তাদের কোপের মুখে পড়তে হয় আমাদের। কোন জিনিসগুলি এই সময় কেনা অনুচিত, জেনে নিন।
বাসন্তীপুজোর সময় কোন জিনিসগুলি কিনবেন না?
লোহার সামগ্রী: লোহার তৈরি কোনও জিনিস এই সময় কেনা উচিত নয়। এর ফলে শনির অশুভ প্রভাব আমাদের উপর পড়ে। যে কোনও কাজে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। তাই বাসন্তীপুজো চলাকালীন লোহা না কেনাই ভাল বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
ধারালো জিনিস: বাসন্তীপুজো চলাকালীন কোনও ধারালো জিনিস কেনা উচিত নয়। এর ফলে জীবনে কুপ্রভাব পড়ে। আর্থিক সঙ্কটে ভোগার আশঙ্কা দেখা যায়।
চাল: প্রতি দিনের ব্যবহারের চাল বাসন্তীপুজোর সময় কেনা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। বাসন্তীপুজো শুরুর আগেই প্রতি দিনের চাল কিনে রাখতে হবে। বাসন্তীপুজো চলাকালীন কেবল পুজোর কাজে চাল কেনা যেতে পারে।
কাচের জিনিস: যে কোনও শুভ দিনে কাচের জিনিস কেনা অশুভ। বাসন্তীপুজোর সময়ও কাচের জিনিস কেনা অনুচিত। অন্যথায় সংসারে আর্থিক সমস্যা দেখা দেয়। পরিশ্রম করেও মনোমতো সুফল পাওয়া যায় না।
বৈদ্যুতিন সামগ্রী: বাসন্তীপুজো চলাকালীন বৈদ্যুতিন সামগ্রী কেনা উচিত নয়। এর ফলে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। এর ফলে জীবনে নানা দিক থেকে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। রাহুও রুষ্ট হয়। সেই কারণে এই সময় বৈদ্যুতিন সামগ্রী কেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।