ঘরের সুস্থতা বজায় রাখার জন্য সেটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
রাখা জরুরি। বাস্তুমতে, প্রতি দিন ঘর ঝাড়পোঁছ করা উচিত। ঘর পরিষ্কার রাখার জন্য
কেবল ঝাড় দিলেই হয় না, সেটিকে মুছতেও হয়। এ ক্ষেত্রে মোছার জলে নুন ব্যবহার করলে
নেগেটিভ শক্তির কবল থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু নিয়মিত ঘর মুছলেই যে বাড়িতে
শুভ শক্তি থাকবে তা নয়। সঠিক নিয়ম মেনে ঘর মোছা জরুরি। না হলে সমস্যা কমার বদলে
বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘর মোছার ক্ষেত্রে কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা জরুরি জেনে নিন।
ঘর মোছার উপায়:
- অনেকে দিনশেষে বাড়ি ফিরে ঘর মোছেন। তবে সূর্যাস্তের আগেই ঘর মোছা উচিত। সূর্যাস্তের পর ঘর ঝাড়া বা মোছা উচিত নয় বলে
জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। এই কাজ করলে লক্ষ্মীদেবী রাগ করেন। তাই চেষ্টা করুন
সকালের দিকেই ঘর মোছার।
- দুপুরের দিকেও ঘর মোছা উচিত নয় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। ঘর
মোছার উপযুক্ত সময় হচ্ছে সূর্যোদয়ের পরবর্তী সময়। চেষ্টা করুন সকালে ঘুম থেকে উঠেই
বাসি ঘর ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করে ফেলার। এতে বাড়িতে পজ়িটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি
পায়।
- ঘর মোছার পর সেই বালতি ও কাপড় বা মপ যেখানে-সেখানে ফেলে
রেখে দেবেন না। সেগুলির কাজ মিটে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নির্দিষ্ট জায়গায় রেখে দিন।
- অনেকেই প্রতি দিন ঘর মোছার জলে নুন দিয়ে ঘর মোছেন। এই কাজ
করা মোটেও উচিত নয়। বৃহস্পতিবার ও রবিবার ঘর মোছার জলে নুন ব্যবহার করা যাবে না।
এই দুই দিন নুনের বদলে লেবু ব্যবহার করা যেতে পারে। এর ফলেও বাড়িতে নেগেটিভ
শক্তির পরিমাণ কমে।
- সন্ধ্যার পর ঘর থেকে আবর্জনাও বাইরে ফেলা যাবে না। ঘর যে জল
দিয়ে মুছেছেন, সেটিও সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে ফেলা মানা। এই কাজগুলি করা বাস্তুসম্মত নয়। এর ফলে বাড়ির উপর অশুভ প্রভাব পড়ে।