বিজ্ঞানের ভাষায় চাঁদ উপগ্রহ হলেও, শাস্ত্রমতে চাঁদকে গ্রহ
হিসাবে ধরা হয়। কারণ চাঁদ গ্রহের ন্যায়ই ফল দান করে। চাঁদ আমাদের মনের কারক গ্রহ।
আমাদের আবেগের উপর এই গ্রহের নিয়ন্ত্রণ থাকে। যে ব্যক্তির জন্মছকে চাঁদ দুর্বল
থাকে, তাঁর আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলত নানা ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে
হয়। জন্মছকে চাঁদ দুর্বল বা অশুভ অবস্থানে থাকলে মানসিক ভারসাম্যেরও বিঘ্ন ঘটে। তবে
শাস্ত্রে এর থেকে রেহাই পাওয়ার নানা উপায়ের কথা বলা রয়েছে। সেগুলি কী, জেনে নিন।
কোষ্ঠীতে থাকা দুর্বল চাঁদের লক্ষণগুলি কী কী?
- ঘন ঘন মেজাজের পরিবর্তন হয়।
- ঘুমের সমস্যা হতে দেখা যায়। শরীর ক্লান্ত থাকলেও রাতে
ঠিকঠাক ঘুম হয় না।
- ব্যক্তি অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। যে কোনও বিষয়ে ক্ষুণ্ণ হন। ছোটখাটো বিষয়ে আঘাত পান।
- পারিবারিক অশান্তি পিছু ছাড়ে না। সম্পর্কক্ষেত্রেও একের পর
এক সমস্যা লেগেই থাকে। টানাপড়েন থেকে রেহাই পান না।
- আত্মবিশ্বাস কমে যায়। কোনও কাজ সাহসের সঙ্গে করতে পারেন না।
নিজেকে নিয়ে মনের মধ্যে সর্বদা নানা সংশয় কাজ করতে থাকে।
- সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা লোপ পায়। সাধারণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার
ক্ষেত্রেও দ্বিধা কাজ করে।
প্রতিকার:
- সোমবার করে উপবাস পালন করুন ও মহাদেবের মাথায় জল ঢালুন।
- প্রতি দিন, সম্ভব না হলে সোমবার করে ‘ওম চন্দ্রায় নমো’
মন্ত্রটি জপ করুন।
- সাদা রঙের জিনিস যেমন দুধ, চাল, কাপড় প্রভৃতি দান করুন।
- মায়ের প্রতি যত্নবান হন। তাঁর খেয়াল রাখুন। কোনও মতে তাঁকে
অসম্মান করা যাবে না।
- প্রয়োজনে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর সঙ্গে কথা বলে মুক্তো ধারণ করতে
পারেন। তবে জ্যোতিষীর পরামর্শ ছাড়া গ্রহরত্ন ধারণ করা যাবে না।