ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
হরেক রকম জিনিস দিয়ে ঘরবাড়ি সাজাতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সে সকল জিনিস যদি বাস্তু মেনে আনা যায় তা হলে শুভ ফলপ্রাপ্তির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, যা আমাদের জীবনে এগিয়ে যেতেও সাহায্য করে। বাস্তুশাস্ত্রে ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে শুভ জিনিস ব্যবহারের ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়। যে কোনও জিনিস, যা বাস্তুসম্মত নয়, তা দিয়ে ঘর সাজালে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই এই বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। বাস্তুশাস্ত্র জানাচ্ছে, স্ফটিক বা ক্রিস্টালের তৈরি বিশেষ কিছু পশুপাখির মূর্তি যদি বাড়িতে রাখা যায়, তা হলে দারুণ ফলপ্রাপ্তি হয়। নানা দিক থেকে উন্নতি লাভ করা যায়। তালিকায় কী কী রয়েছে, জেনে নিন।
ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে স্ফটিকের তৈরি কোন কোন পশুপাখির মূর্তি ব্যবহার করা যেতে পারে?
হাতি: স্ফটিকের তৈরি হাতির মূর্তিকে শুভ বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। এর ফলে ঘরে শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটে। সদর দরজার পাশে বা বসার ঘরে এই মূর্তিটি রাখতে হবে। বাড়িকে যে কোনও প্রকার অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা করতে সহায়ক এই মূর্তি।
কচ্ছপ: স্ফটিকের তৈরি কচ্ছপের মূর্তিও বাড়িকে নানা ভাবে রক্ষা করে। এটিকে বাড়ির উত্তর কোণে রাখা ফলদায়ক হবে বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। পেশাজীবন এবং আয়ের দিকে উন্নতি বয়ে আনতে সহায়ক স্ফটিকের কচ্ছপ মূর্তি। সে ক্ষেত্রে বাড়িতে বা অফিসে যেখানে বসে কাজ করেন, সেই স্থানেও এই মূর্তি রাখা যেতে পারে।
পেঁচা: শাস্ত্রমতে, পেঁচা জ্ঞানের প্রতীক। এ ছাড়া অশুভ শক্তি থেকেও আমাদের রক্ষা করে পেঁচার মূর্তি। স্ফটিকের তৈরি পেঁচার মূর্তি বাড়িতে রাখলে পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা উন্নত হয়। সুবুদ্ধির উদয় ঘটে। অফিসেও এই মূর্তি রাখা যেতে পারে। এর ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।
মাছ: বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে স্ফটিকের তৈরি মাছের মূর্তি রাখা যেতে পারে। এর ফলে জীবনে আর্থিক উন্নতি আসে। সফলতা প্রাপ্তিতে সুবিধা হয়।
হাঁস: স্ফটিকের তৈরি হাঁসের মূর্তি বাড়িতে রাখার গুণাগুণ অনেক। বিশেষ করে বিবাহিত দম্পতিরা এই মূর্তিকে শোয়ার ঘরে রাখতে পারেন। এর ফলে সম্পর্কে মাধুর্য বৃদ্ধি পাবে। সম্পর্কে শান্তি বজায় থাকবে।