ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে, দেবী পার্বতী স্নান তাঁর শরীরের চন্দন বা ময়লা দিয়ে একটি সুন্দর বালকের মূর্তি তৈরি করেন। এর পর তাঁর ঐশ্বরিক শক্তি বা নিঃশ্বাস দিয়ে সেই মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন। এই বালকই গণেশ। প্রাণদানের পর, দেবী পার্বতী সেই বালককে তাঁর স্নানঘরের দরজায় প্রহরী হিসাবে নিযুক্ত করেন এবং নির্দেশ দেন যে, তিনি ছাড়া যেন কাউকে ভেতরে ঢুকতে না দেওয়া হয়। এই বালকের পরিচয় শিব জানতেন না। মহাদেব সেই সময় বাড়ির ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করায় গণেশ বাধা দেন। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে শিব গণেশের মস্তকচ্ছেদ করেন। পরে সব জানতে পেরে পার্বতীর শোক কমাতে ভোলানাথ আদেশ দেন যে, উত্তর দিকে মুখ করে শোয়া যে প্রাণীকে প্রথম দেখা যাবে, তার মাথা এনে গণেশের শরীরে বসাতে। সেই প্রাণীটি ছিল একটি হাতি, যার মাথা গণেশের ধড়ে স্থাপন করে তাঁকে পুনর্জীবিত করা হয়।
এই কারণেই, বাস্তুমতে হাতি অত্যন্ত পবিত্র প্রাণী। সিদ্ধিদাতা গণেশ হলেন বিঘ্ননাশকারী। তাই হাতির প্রতীক বা মূর্তি ঘরে রাখা অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে প্রচলিত বিশ্বাস। তবে ভিন্ন ভিন্ন হাতির মূর্তি এক এক রকম ফল দিয়ে থাকে বলে মনে করা হয়। কোন ধরনের হাতির মূর্তি বাড়ির কোন দিকে রাখলে ইচ্ছা পূরণে সহায়ক হয়ে উঠবে, সে ব্যাপারে কী বলছেন জ্যোতিষবিদেরা, তা জেনে নিন—