Astrological Tips for Watering Plant

ভুল সময়ে গাছে জল দিয়েই সংসারে অশান্তি ডেকে আনছেন, কোন সময়ে গাছে জল দিলে ফল শুভ হয়?

যদি কোনও কারণে সকালে গাছে জল দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে বিকেলের শেষ প্রহরে জল দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও সময় একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

Advertisement

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ ১১:০০
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গাছে জল দেওয়ার জন্য দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময়কে অত্যন্ত শুভ এবং কিছু সময়কে একদমই নিষিদ্ধ মনে করা হয়। বৈজ্ঞানিক যুক্তি থাকার পাশাপাশি তার নেপথ্যে রয়েছে জ্যোতিষবিদ্যার কিছু ব্যাখ্যাও। সনাতন ধর্মমতে, দিনের যে কোনও সময় গাছে জল দেওয়া যায় না। সঠিক সময়ে গাছে জল না দিলে হিতে বিপরীত হতে পারে। কোন সময়ে জল দেওয়া অশুভ বলে গণ্য করা হয় তা কারণ-সহ নীচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল—

Advertisement

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, গাছে জল দেওয়ার সর্বোত্তম সময় হল ভোরবেলা অথবা সকালের প্রথম প্রহর। সাধারণত সূর্যোদয়ের পর থেকে সকাল ৮টা বা ৯টার মধ্যে গাছে জল দিলে তা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্রে উদ্ভিদ বুধ এবং চন্দ্রের প্রতীক। সকালের শান্ত এবং ইতিবাচক পরিবেশে গাছে জল দিলে কুণ্ডলীতে বুধ গ্রহের অবস্থান শক্তিশালী হয়।

মনে করা হয়, এর ফলে পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে এবং বুধের কৃপায় বুদ্ধি এবং ব্যবসার উন্নতি ঘটে। যদি কোনও কারণে সকালে গাছে জল দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে বিকেলের শেষ প্রহরে জল দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও সময় একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

Advertisement

খেয়াল রাখতে হবে, বিকেল ৪টে থেকে সূর্যাস্তের ঠিক আগে পর্যন্ত সময়সীমার মধ্যেই যেন জল দেওয়ার কাজ সমাপ্ত হয়ে যায়। সনাতন ধর্মমতে, সূর্যাস্তের পর প্রকৃতি দেবী এবং সমস্ত গাছপালা ঘুমিয়ে পড়ে বা বিশ্রাম নেয়।

সূর্যাস্তের পর গাছে জল দিলে বা গাছের পাতা স্পর্শ করলে তাদের বিশ্রামে ব্যাঘাত ঘটে, যা নেতিবাচক শক্তির জন্ম দেয়। এর ফলে ঘরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং আর্থিক ক্ষতি হতে পারে। তা ছাড়াও, জ্যোতিষমতে দিনের আরও একটি সময় গাছে জল দিলে তা অমঙ্গলের ইঙ্গিত বহন করে।

শাস্ত্র অনুসারে, দুপুরবেলা সূর্যদেব তাঁর পূর্ণ তেজে থাকেন। এই সময় প্রকৃতির শক্তি অত্যন্ত উগ্র থাকে। দুপুরের কড়া রোদে গাছে জল দিলে উদ্ভিদের প্রাণশক্তি দুর্বল হয়, যা পরোক্ষ ভাবে পরিবারের সদস্যদের রাহু এবং কেতুর নেতিবাচক প্রভাবের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এর ফলে পারিবারিক শান্তিতে বিঘ্ন ঘটে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement