Migrant Workers Harassment

বাংলাদেশি সন্দেহে পরিযায়ী শ্রমিককে মেরে রক্তাক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ কর্নাটকে! খুনের চেষ্টায় অভিযুক্ত চার

প্রাথমিক অনুসন্ধান এবং তথ্যযাচাইয়ের পরে পুলিশ জানায়, আক্রান্ত ব্যক্তি কোনও বাংলাদেশি নাগরিক নন। তিনি ভারতীয়ই। কাজের জন্য মেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০১
Share:

কর্নাটকের মেঙ্গালুরুতে পরিযায়ী শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বাংলাদেশি সন্দেহে ফের এক পরিযায়ী শ্রমিককে হেনস্থার অভিযোগ উঠল। এ বার ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের মেঙ্গালুরুতে। আক্রান্ত ব্যক্তি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। অভিযোগ, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে তাঁকে মারধর করে একদল যুবক।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি গত ১০-১৫ বছর ধরে কর্নাটকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে কাজ করছেন। মেঙ্গালুরুতেই থাকেন। প্রতি বছর কাজের প্রয়োজন অনুসারে চার-ছয় মাস করে থাকেন এই শহরে। রবিবার মেঙ্গালুরু সংলগ্ন কুলুর এলাকায় একদল যুবক তাঁর পথ আটকান। অভিযোগ, চার যুবক মিলে তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। তাঁর পরিচয়পত্র দেখতে চান। ওই পরিযায়ী শ্রমিক বার বার নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করতে থাকেন।

কিন্তু অভিযুক্তেরা সে সবের তোয়াক্কাই করেননি। তাঁরা ওই ব্যক্তিকে মারধর এবং হেনস্থা করতে থাকেন। এমনকি, কিছু কুকথা শোনানো হয় বলেও অভিযোগ। গত রবিবারের ওই হামলার জেরে গুরুতর জখম হন পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁর মাথায় চোট লাগে। রক্তাক্ত হন। শেষে স্থানীয় বাসিন্দা এক মহিলা তাঁকে উদ্ধার করেন। ওই হামলার পরে আক্রান্ত পরিযায়ী শ্রমিক এতটাই ঘাবড়ে গিয়েছিলেন যে থানায় অভিযোগও জানাতে যাননি তিনি। পরে স্থানীয় নেতারা বিষয়টি থানায় জানান। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যে এফআইআর রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

প্রাথমিক অনুসন্ধান এবং তথ্যযাচাইয়ের পরে পুলিশ জানায়, আক্রান্ত ব্যক্তি কোনও বাংলাদেশি নাগরিক নন। তিনি ভারতীয়ই। কাজের জন্য মেঙ্গালুরুতে গিয়েছিলেন। রবিবার ওই ঘটনা প্রসঙ্গে মেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সুধীরকুমার রেড্ডি জানান, অভিযুক্তদের ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই কুলুর এলাকারই বাসিন্দা। তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা-সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement