Twisha Sharma Death Case

ত্বিশার মৃত্যুর আগে-পরে কী ঘটেছিল, রহস্যভেদ করতে ভোপালের বাড়িতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই

গত ১২ মে রাতে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করতে বলা হয় গিরিবালা এবং সমর্থকেও।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ ১৭:৩০
Share:

ত্বিশা শর্মা। — ফাইল চিত্র।

ত্বিশা শর্মার মৃত্যুরহস্যের কিনারা করতে ভোপালের বাড়িতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই। ‘ডামি’ ব্যবহার করে প্রতিটি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। তাঁরা জানান, পুনর্নির্মাণের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন দুই অভিযুক্ত ত্বিশার শাশুড়ি গিরিবালা এবং স্বামী সমর্থ সিংহ। আর ছিলেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞেরা।

Advertisement

গত ১২ মে রাতে ভোপালে শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ত্বিশার ঝুলন্ত দেহ। সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করতে বলা হয় গিরিবালা এবং সমর্থকেও। ঘটনাস্থল পুনর্গঠনের জন্য তদন্তকারীরা ত্বিশার আনুমানিক শারীরিক ওজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ‘ডামি’ ব্যবহার করেছিলেন। কী কারণে এই পদক্ষেপ? তদন্তকারী সূত্রে খবর, এই অনুশীলনের উদ্দেশ্য ছিল অভিযুক্তদের দেওয়া বিবরণ যাচাই করা। শুধু তা-ই নয়, ত্বিশার মৃত্যুরহস্য ভেদ করতে একটি সময়সরণি তৈরি করতেও চেয়েছিল সিবিআই।

সূত্রের খবর, ত্বিশার স্বামী তদন্তকারীদের কাছে জেরায় দাবি করেছেন, ছাদে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তড়িঘড়ি তাঁর দেহ উপরের দিকে তুলে ধরেছিলেন যাতে ফাঁস আলগা হয়। তাঁর মা দড়ির ফাঁস খোলেন। তার পর দু’জনে মিলে ধরাধরি করে ত্বিশাকে নামান। এফআইআর অনুসারে, সমর্থ দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী ১২ মে রাত ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ নিজের বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তাঁকে ওই অবস্থা থেকে উদ্ধার করে ভোপালের এমসে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাত ১২টা ৫ মিনিট নাগাদ খবর দেন পুলিশকে।

Advertisement

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসাবে গলায় ফাঁসের কথা উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে ত্বিশার শরীরে আঘাতের চিহ্নের কথা বলা হয়েছে। সেই চিহ্ন ভোঁতা অস্ত্রের সাহায্যে বলে উল্লেখ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। ময়নাতদন্ত এবং ত্বিশার পরিবারের জবানবন্দির ভিত্তিতে পুলিশ গত ১৫ মে একটি এফআইআর দায়ের করে। সেই ভিত্তিতে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে তদন্ত শুরু করে ভোপাল পুলিশ। পরে এই মামলার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement