Chief of Defence Staff

কী কারণে তিব্বতকে চিনের অংশ হিসাবে মেনে নিয়েছিলেন নেহরু, ব্যাখ্যা দিলেন সেনা সর্বাধিনায়ক চৌহান

চৌহানের দাবি, নেহরু পড়শি চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সেনা সর্বাধিনায়কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সেই সময় ভারতের উত্তর-পূর্ব দিকে নির্ধারিত সীমান্ত না থাকায় চিনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তির পথে হেঁটেছিলেন নেহরু।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২২
Share:

(বাঁ দিকে) জওহরলাল নেহরু এবং ভারতের সেনা সর্বাধিনায়ক অনিল চৌহান (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

জওহরলাল নেহরু কেন তিব্বতকে চিনের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন, তার কারণ ব্যাখ্যা করলেন সেনা সর্বাধিনায়ক (চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বা সিডিএস) অনিল চৌহান। তাঁর দাবি, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নেহরু পড়শি চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চেয়েছিলেন। সেনা সর্বাধিনায়কের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সেই সময় ভারতের উত্তর-পূর্ব দিকে নির্ধারিত সীমান্ত না থাকায় চিনের সঙ্গে পঞ্চশীল চুক্তির পথে হেঁটেছিলেন নেহরু।

Advertisement

শুক্রবার দেহরাদূনে ‘ভারত হিমালয়াম স্ট্র্যাটেজি ফোরাম’-এ বক্তৃতা করেন সেনা সর্বাধিনায়ক। সেখানেই তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর ব্রিটিশেরা চলে গেল। তখন ভারতকেই সীমান্ত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হত। খুব সম্ভবত নেহরু জানতেন, পূর্ব দিকে ম্যাকমোহন লাইন (ভারত-চিন সীমান্ত) রয়েছে। লাদাখ এলাকাতেও আমাদের অধিকার ছিল। কিন্তু এখানে (তিব্বত) ছিল না। সেই কারণেই নেহরু পঞ্চশীল চুক্তির পথে হাঁটেন।”

সেনা সর্বাধিনায়কের মতে চিন তিব্বতের দখল নেওয়ার পর বেজিং রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে। ভারত তাতে সমর্থন জানিয়েছিল। চৌহান এ-ও দাবি করেন যে, তিব্বত এক সময় ভারত এবং চিনের মধ্যে ‘বাফার এলাকা’ হিসাবে থাকলেও পরে এটি সীমান্তে পরিণত হয়। সেনা সর্বাধিনায়ক বলেন, “১৯৫৪ সালে ভারত তিব্বতকে চিনের অংশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। দুই দেশ পঞ্চশীল চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। এর ফলে ভারত ধরে নেয় যে তার সীমান্ত নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। আমাদের ধারণা কেবল উত্তরের দিকেই প্রথাগত চুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত নির্ধারিত হয়নি।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement