Cockroach Janta Party

‘যন্তরমন্তর দ্রুত খালি করুন! আর সময় দেওয়া হবে না’, ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভকারীদের হুঁশিয়ারি দিল পুলিশ

নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে শনিবার দুপুর থেকে দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ শুরু করেন দীপকে এবং তাঁর সমর্থকেরা। পুলিশের বক্তব্য, কর্মসূচির অনুমতি ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিক্ষোভ চলছে, যা ‘বেআইনি’ বলে মনে করছে পুলিশ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ২৩:১৯
Share:

শনিবার দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচি। ছবি: পিটিআই।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য অতিরিক্ত সময় দিল না দিল্লি পুলিশ। অবিলম্বে যন্তরমন্তর থেকে বিক্ষোভকারীদের সরে যাওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দিল পুলিশ। এই মর্মে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে চিঠি পাঠিয়েছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, অনুমোদিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিক্ষোভ চলছে। এ অবস্থায় অবিলম্বে তাঁদের সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

Advertisement

নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে শনিবার দুপুর থেকে দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ শুরু করেন দীপকে এবং তাঁর সমর্থকেরা। পুলিশের বক্তব্য, কর্মসূচির অনুমতি ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিক্ষোভ চলছে, যা ‘বেআইনি’ বলে মনে করছে পুলিশ। নয়াদিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের দফতর থেকে পাঠানো ওই চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিক্ষোভ কর্মসূচির সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন বিবেচনা করা সম্ভব নয়। কারণ, অনুমোদিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিক্ষোভ চলেছে। ফলে এতে মূল কর্মসূচির অনুমতির শর্ত লঙ্ঘিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বিক্ষোভকারীরা এলাকা থেকে সরে না গেলে আইনানুগ পদক্ষেপ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ।

রবিবার দেশব্যাপী পুনরায় নিট পরীক্ষা আয়োজিত হচ্ছে। তার আগে শনিবার যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয় সিজেপি। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরোধিতায় এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। সিজেপি-র এই কর্মসূচি ঘিরে আগে থেকেই পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল এলাকায়। তার মধ্যেই দুপুর ১টা নাগাদ শুরু হয় বিক্ষোভ কর্মসূচি। পুলিশের অনুমোদিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা আগে, বিকেল ৪টে নাগাদ দীপকে সমর্থকদের উদ্দেশে জানতে চান, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যেতে চান কি না। তখন ভিড়ের মধ্যে থেকে সমস্বরে উত্তর আসে ‘হ্যাঁ’। এর পরে সন্ধ্যায় দীপকে ঘোষণা করেন, ধর্মেন্দ্র পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

Advertisement

এর পর সন্ধ্যা থেকেই ক্রমে চাপানউতর বৃদ্ধি পায় যন্তরমন্তরের বিক্ষোভস্থলে। বিক্ষোভকারীদের জন্য পানীয় জল ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন দীপকে। তাঁর দাবি, ব্যারিকেডেই আটকে দেওয়া হচ্ছে জল। পরে খাবার নিয়ে প্রবেশেও বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন বিক্ষোভকারীরা। প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময় পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement