Delhi Murder Case

অল্পতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন দিল্লির আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্ত! গ্রামের বাড়ির এলাকায় রয়েছে ‘বদনাম’ও

অভিযুক্তের আচরণ কেমন ছিল, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিতে তাঁর গ্রামের বাড়ির এলাকা থেকে তথ্যসংগ্রহ করেছে পুলিশ। জানা যাচ্ছে, নিজের গ্রামেও মাঝেমধ্যেই এমন আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতেন ধৃত যুবক।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৮
Share:

এই ধরনের খবরের ক্ষেত্রে আসল ছবি প্রকাশে আইনি নিষেধাজ্ঞা থাকে। —প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

দিল্লিতে আমলা-কন্যাকে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত কি মানসিক ভাবে অসুস্থ? তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রশ্নও উঠে আসছে। দাবি করা হচ্ছে, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে আক্রমণাত্মক আচরণ করতেন ধৃত। অল্পেই মেজাজ হারিয়ে ফেলতেন তিনি। এ অবস্থায় অভিযুক্তের মানসিক অবস্থাও খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

ধৃত যুবকের বাড়ি রাজস্থানের অলওয়ারে। অভিযুক্তের আচরণ কেমন ছিল, সে বিষয়ে খোঁজখবর নিতে তাঁর গ্রামের বাড়ির এলাকা থেকেও তথ্যসংগ্রহ করেছেন আধিকারিকেরা। জানা যাচ্ছে, নিজের গ্রামেও মাঝেমধ্যেই এমন আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতেন ধৃত যুবক। তা নিয়ে এলাকায় তাঁর বেশ বদনামও ছিল। আধিকারিক সূত্রে এমনটাই জানাচ্ছে সংবাদসংস্থা পিটিআই।

গ্রেফতারির পরেও ধৃতের মধ্যে মানসিক অসুস্থতার কিছু লক্ষ্মণ দেখা গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। ধৃতের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ওই সূত্রের দাবি, অতীতেও ওই যুবক বিভিন্ন সময়ে আক্রমণাত্মক আচরণ করতেন। গ্রেফতারির পরেও এমন লক্ষ্মণ দেখা যাওয়ায় উদ্বেগ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। ওই সূত্র আরও জানাচ্ছে, তদন্তকারী দল অভিযুক্তের মানসিক অবস্থা মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Advertisement

জানা যাচ্ছে, ধৃত যুবক অনলাইন জুয়ার প্রতি আসক্ত ছিল। তাস খেলারও নেশা ছিল। সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাসে সাত লক্ষ টাকা খুইয়েছেন তিনি। সেই কারণে ঘন ঘন ধার করতে হত অভিযুক্তকে। দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ-পূর্ব) হেমন্ত তিওয়ারি ইতিমধ্যে আমলার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন। পিটিআই জানাচ্ছে, শুক্রবারই তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যেতে পারে। করা হতে পারে ঘটনার পুনর্নির্মাণ। সূত্রের দাবি, মূলত যে জায়গাগুলি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়েনি, সেই জায়গার ঘটনাগুলি পুনর্নির্মাণ করার জন্যই ঘটনাস্থলে যাবেন তদন্তকারীরা।

ধৃত যুবক ওই আমলার বাড়িতে পরিচারকের কাজ করতেন। সূত্রের খবর, আট মাস আগে তাঁকে কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পর তিনি নিজের বাড়ি রাজস্থানের অলওয়ারে ফিরে যান। এর পরে অনলাইন গেম এবং তাসের নেশায় বাজারে প্রচুর টাকার দেনা হয়ে গিয়েছিল তাঁর। জানা যাচ্ছে, সেই দেনা মেটানোর জন্যই আমলার বাড়িতে লুটপাটের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। গ্রেফতারির পরে প্রাথমিক জেরা পর্বে ধৃত দাবি করেছেন, শুধু টাকার জন্যই তিনি গিয়েছিলেন। অন্য কোনও উদ্দেশ্যে নয়। গ্রেফতারির পরে তিনি বলেন, ‘‘দিদি যদি বাধা না দিত, টাকা দিয়ে দিত, তা হলে এ কাজ করতাম না।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement