Nirmala Sitharaman on Content Creator

‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর’ হওয়া স্বপ্ন? হাতেকলমে শেখাবে কেন্দ্র, স্কুল ও কলেজে তৈরি হবে বিশেষ ল্যাব, ঘোষণা নির্মলার

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, অ্যানিমেশন, ভিজ়্যুয়াল এফেক্টস্‌, গেমিং এবং কমিক্স (এভিজিসি) ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। সে জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির তত্ত্বাবধানে ১৫,০০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৫০০ কলেজে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপন হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৫
Share:

বাজেট পেশের সাংবাদিক বৈঠকে নির্মলা সীতারমণ। ছবি: পিটিআই।

ছেলেমেয়েদের হাতে মোবাইল দেখলেই যে বাবা-মায়েরা বকাঝকা করতেন, করোনা আবহে তাঁরাই নতুন মোবাইল কিনে দিয়েছিলেন। খাতা-পেনসিল ছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের কাছে পড়াশোনার জন্য আবশ্যিক হয়ে উঠেছিল স্মার্টফোন কিংবা ট্যাব। দিন যত এগোচ্ছে, ডিজিটাল দুনিয়ায় হাতছানি ততই দুর্নিবার হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে এ বারের বাজেটে নয়া ঘোষণা করল কেন্দ্র। রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানিয়েছেন, দেশে ১৫ হাজার স্কুল এবং ৫০০ কলেজে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব তৈরি করবে কেন্দ্র। কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীরা যাতে ছোট থেকেই ডিজিটাল দুনিয়ায় সৃজনশীল কাজ করার জন্য তৈরি হতে পারে, তাই এই উদ্যোগ। প্রসঙ্গত, বাজারচলতি কন্টেন্টের ক্রিয়েটর বা ইউটিউবারদের জন‍্য কিন্তু এই প্রকল্প নয়।

Advertisement

রবিবার বাজেট ঘোষণার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা জানান, অ্যানিমেশন, ভিজ়্যুয়াল এফেক্টস্‌, গেমিং এবং কমিক্স (এভিজিসি) ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে। সে জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের উদ্যোগে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির তত্ত্বাবধানে ১৫,০০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৫০০ কলেজে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ল্যাব স্থাপন হবে। এই ল্যাবগুলি শিক্ষার্থীদের কন্টেন্ট তৈরির প্রথাগত প্রশিক্ষণ দেবে। ডিজিটাল মাধ্যমে গল্প বলতে সাহায্য করবে। যারা গেমিং অ্যাপের নকশা করতে আগ্রহী কিংবা ভিজ়্যুয়াল এফেক্ট নিয়ে কাজ করতে চায়, তাদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মোদী সরকার মনে করছে, এতে তরুণদের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং উদ্যোক্তা হওয়ার নতুন পথ খুলবে। কর্মসংস্থানের উপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয়ে জোর দেওয়া যাবে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর কথায়, ‘‘ভারতের অ্যানিমেশন, ভিজ়্যুয়াল এফেক্টস্, গেমিং এবং কমিক্স সেক্টর একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প। যার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২ লক্ষ পেশাদারের প্রয়োজন হবে বলে মনে করা হচ্ছে।’’ তিনি জানান, কেন্দ্রীয় বাজেটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককে ৪,৫৫১.৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রসার ভারতীর জন্য যথেষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে।

Advertisement

এভিজিসি ক্ষেত্রে প্রতিভা বিকাশের জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গেম ডেভেলপার অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (জিডিএআই) এভিজিসি সেক্টরের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। জিডিএআই-র বোর্ড সদস্য মণীশ আগরওয়াল বলেন, ‘‘নিঃসন্দেহে এটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ। দেশ জুড়ে গেমিং, এভিজিসি-এক্সআর এবং ইন্টারেক্টিভ মিডিয়া ক্ষেত্রের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement