প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। —ফাইল চিত্র।
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ নীতি কার্যকর হলে দেশের প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পারে। জিডিপি বৃদ্ধির হার ১.৬ শতাংশ বাড়তে পারে। বুধবার গুজরাতের গান্ধীনগরে এই দাবি করেছেন ‘এক দেশ এক ভোট’ সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) চেয়ারপার্সন তথা লোকসভার সাংসদ প্রেমপ্রকাশ চৌধরী (পিপি নামে যিনি পরিচিত)।
‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিলে একসঙ্গে বিভিন্ন লোকসভা এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আয়োজনের প্রস্তাব রয়েছে। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে শুধু লোকসভা-বিধানসভা নয়, সাত লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় এবং জিডিপি বৃদ্ধির হার ১.৬ শতাংশ বাড়ানোর পূর্বশর্ত হিসাবে তার সঙ্গে পঞ্চায়েত ও পুরভোটকেও জুড়ে দিয়েছেন জেপিসি চেয়ারপার্সন! তিনি বলেন, ‘‘প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বাধীন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী প্রথমে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন সমন্বিত ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এর পর ১০০ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভার ভোটের আয়োজন করা হবে।’’
‘এক দেশ এক ভোট’ আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে ১২৯তম সংবিধান সংশোধনীর প্রস্তাব-সহ ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে যে দু’টি বিল লোকসভায় পেশ করা হয়েছিল, সেগুলির খসড়া নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে সংসদের যৌথ কমিটি (জেপিসি) গঠন করা হয়েছে। কংগ্রেসের প্রিয়ঙ্কা গান্ধী থেকে শুরু করে আপের সঞ্জয় সিংহ, তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা ওই কমিটির সদস্য। সংসদের উভয় কক্ষ থেকে মোট ৩৯ জন (লোকসভার ২৭ জন এবং রাজ্যসভার ১২ জন) সদস্য রয়েছেন জেপিসিতে। রাজস্থানের পালি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রেমপ্রকাশ চৌধরী (পিপি নামে যিনি পরিচিত) ওই কমিটির চেয়ারপার্সন। ‘এক দেশ এক ভোট’ আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে যে আট সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল, তার ১৮ হাজার পাতার ওই রিপোর্ট নিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে পর্যালোচনা করছে জেপিসি।