Operation Sindoor Post

প্রতিভাবান পড়ুয়া বলে ছাড় পাবেন না! ‘সিঁদুর অভিযান’ নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করা ছাত্রীকে বলল আদালত

পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল ভারত। ওই অভিযান চলাকালীনই ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছিলেন অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৭:২৩
Share:

‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে বিতর্কিত পোস্টের জেরে মামলা তরুণীর বিরুদ্ধে। (এআই সহায়তায় প্রণীত)

‘সিঁদুর অভিযান’ নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট করেছিলেন ১৯ বছর বয়সি এক ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী। ওই পোস্টের জেরে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়। সম্প্রতি বম্বে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, শুধুমাত্র প্রতিভাবান পড়ুয়া হওয়ার কারণে অভিযুক্ত মামলা থেকে রেহাই পাবেন না।

Advertisement

হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি শ্রী চন্দ্রশেখরের বেঞ্চের মন্তব্য, “এটি খুবই গুরুতর একটি বিষয়। যদিও ধরেও নেওয়া হয়, আপনি ছোট, পড়াশোনা করছেন— তা-ও খুব বেশি হলে জামিনের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু এফআইআর খারিজ করা যাচ্ছে না। আপনি প্রতিভাবান পড়ুয়া, তা খুব ভাল বিষয়। কিন্তু প্রতিভাবান পড়ুয়া হওয়ার জন্য এফআইআর খারিজ হতে পারে না।”

পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করেছিল ভারত। ওই অভিযান চলাকালীনই ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছিলেন ওই ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী। পোস্টটি করার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই তিনি সেটি সমাজমাধ্যম হ্যান্ডল থেকে মুছে ফেলেন। কিন্তু তত ক্ষণে সেটি ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই পোস্টের জেরে গত ৯ মে পুণের একটি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর রুজু করে পুলিশ। যদিও ওই ছাত্রী পরে ওই পোস্টের জন্য ক্ষমা চান। অভিযুক্ত তরুণীর দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটনার কোনও অভিপ্রায় ছিল না তাঁর। এ অবস্থায় ওই এফআইআর খারিজের আর্জি জানিয়ে বম্বে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ছাত্রী।

Advertisement

সম্প্রতি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রশেখর এবং বিচারপতি গৌতম অঙ্খড়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, ছাত্রীর ক্ষমা চাওয়া বা তিনি প্রতিভাবান ছাত্রী কিংবা পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করেছেন বলে ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে আপত্তিজনক পোস্টের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজ করা যায় না। এই মামলায় স্থানীয় থানার পুলিশকে একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে হাই কোর্ট। সরকারি আইনজীবীকেও মুখবন্ধ খামে কেস ডায়েরি জমা করতে বলা হয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement