Election Commission and BJP

সিপিএমের সঙ্গে আঁতাঁত রয়েছে নির্বাচন কমিশনের! এ বার অভিযোগ বিজেপির, ‘গোপন সমঝোতার’ ভিন্ন-তত্ত্ব কেরলে

কেরলের শাসকদল সিপিএমের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আঁতাঁত রয়েছে— শনিবার এমনটাই অভিযোগ তুলল পদ্মশিবির। তাদের দাবি, কেরল সরকার এবং সিপিএমের সঙ্গে আঁতাঁত করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-সহ কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ২১:৪২
Share:

কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে বার বার আঁতাঁতের অভিযোগে বিদ্ধ হতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাঁতের অভিযোগে তৃণমূল বার বার বিঁধেছে বিজেপিকে। এ বার সেই বিজেপিই কমিশনের বিরুদ্ধে গোপন সমঝোতার অভিযোগ তুলল। তবে পশ্চিমবঙ্গে নয়, কেরলে।

Advertisement

কেরলের শাসকদল সিপিএমের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আঁতাঁত রয়েছে— শনিবার এমনটাই অভিযোগ তুলল পদ্মশিবির। তাদের দাবি, কেরল সরকার এবং সিপিএমের সঙ্গে আঁতাঁত রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-সহ কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের। তাঁরা সিপিএমের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কেরলে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে দাবি বিজেপির।

সম্প্রতি কমিশনের এক পুরানো নথিতে ‘পদ্ম’ চিহ্ন-সহ সিল ঘিরে বিতর্ক দানা বাঁধে। বিজেপির কেরল শাখার সিল ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল ওই নথিতে। ওই বিতর্কে ইতিমধ্যে এক আধিকারিককে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করেছে কমিশন। কেরল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক এস সুরেশ শনিবার জানান, নিলম্বিত ওই আধিকারিকের নাম জয়সল বি আজ়িজ়। কেরলের সচিবালয়ের এক এনজিও (সেবামূলক প্রতিষ্ঠান) ইউনিয়নের সঙ্গে তিনি যুক্ত বলে দাবি সুরেশের।

Advertisement

বিজেপি নেতার দাবি, ওই আধিকারিক সম্প্রতি কমিশনে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআই এবং ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথাও শোনা যায়। সেই কারণেই তাঁকে কমিশনে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে দাবি বিজেপির কেরল শাখার সাধারণ সম্পাদকের।

সুরেশ বলেন, “এই ঘটনায় বিজেপি উদ্বিগ্ন। আমরা সন্দেহ করছি, সিইও-সহ কমিশনের আধিকারিকেরা কেরল সরকার এবং সিপিএম-এর চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা এ রাজ্যে অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে চাইছেন।” বিজেপির কেরল শাখার ওই নেতার দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি থেকেই ইঙ্গিত মেলে যে বিজেপির বিরুদ্ধে একটি ‘ষড়যন্ত্র’ চলছে। কমিশনের নির্দিষ্ট কয়েক জন আধিকারিক এবং সিপিএমের মধ্যে একটি ‘গোপন বোঝাপড়া’ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি

কেরলের রাজনীতিতে দুই প্রধান শক্তি হল সিপিএমের নেতৃত্বাধীন জোট এলডিএফ এবং কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ। এ অবস্থায় সুরেশের দাবি, “বিজেপির উত্থান দেখে এলডিএফ এবং ইউডিএফ উভয়েই বিচলিত। দুই শিবিরই বিজেপির বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এবং দুর্ভাগ্যের বিষয় নির্বাচন কমিশনও এই চক্রান্তের অংশ হয়ে উঠেছে।” বিজেপি নেতার প্রশ্ন, “আমরা কি আগে কখনও এমন ঘটনার কথা শুনেছি? এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা। এর ফলে গণতান্ত্রিক ভোটপ্রক্রিয়াই ক্ষুণ্ণ হতে পারে। এমন সব অনাচার দেখার মতো চোখ কি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেই?”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement