CPI Maoist

ছত্তীসগঢ়ের মাওবাদী নেতা নতুন শাখা গড়ছিলেন উত্তর ভারতে! হরিয়ানা থেকে ধরল এনআইএ

দক্ষিণ-মধ্য ভারতের একের পর এক মুক্তাঞ্চল হাতছাড়া হওয়ায় কোণঠাসা মাওবাদী নেতৃত্ব এখন ‘উত্তরাঞ্চলীয় আঞ্চলিক ব্যুরো’-কে সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৫ ১৬:২৩
Share:

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র এক নেতাকে হরিয়ানার রোহতক থেকে বুধবার গ্রেফতার করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। প্রিয়াংশু কাশ্যপ নামে ওই মাওবাদী নেতা আদতে ছত্তীসগঢ়ের বস্তারের বাসিন্দা। হরিয়ানার মাটি থেকে তিনি সক্রিয় ভাবে দেশবিরোধী অপরাধমূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছিলেন বলে এনআইএ-র দাবি।

Advertisement

প্রিয়াংশুকে গ্রেফতারের পর এনআইএ তার কাছ থেকে সিম কার্ড-সহ একটি মোবাইল, একটি ট্যাব, দু’টি মেমোরি কার্ড এবং সিপিআই (মাওবাদী)-র সম্পর্কিত নাশকতার পরিকল্পনা সংক্রান্ত কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করেছিল। সেগুলি পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, ছত্তীসগঢ়-মহারাষ্ট্র-তেলঙ্গানা-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের ‘রেড করিডোরে’ যৌথবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে কোণঠাসা মাওবাদী বাহিনী অর্থ এবং লোকবলের সমস্যায় ভুগছে।

এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের জন্য অর্থ ও নতুন ‘সমর্থক’ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তিনি উত্তর ভারতে পাড়ি দিয়েছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। এনআইএ জানাচ্ছে, দক্ষিণ-মধ্য ভারতে একের পর এক মুক্তাঞ্চল হাতছাড়া হওয়ায় কোণঠাসা মাওবাদী নেতৃত্ব এখন উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং হিমাচল প্রদেশ নিয়ে গঠিত ‘উত্তরাঞ্চলীয় আঞ্চলিক ব্যুরো’ (এনআরবি)-কে সক্রিয় করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আর সেই দায়িত্ব দিয়েই পাঠানো হয়েছিল ধৃত প্রিয়াংশুকে। হরিয়ানা-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন শহরে ধৃত মাওবাদী নেতা কোন কোন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement