পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার পঞ্জাবের এক বাসিন্দা। আরও তিন অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিশ। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে জাতীয় সড়কে সেনার গতিবিধির উপর নজর রাখার অভিযোগ। এমনকি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পাকিস্তানে পাচার করারও অভিযোগ উঠেছে পঞ্জাবের চার বাসিন্দার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের মধ্যে এক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম বলজিৎ সিংহ। তিনি পঞ্জাবের পঠানকোট জেলার চক ধারিয়াল গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ, সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে সেনাবাহিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখা হত। সিসি ক্যামেরাটি লাগানো হয়েছিল পঠানকোট-জম্মু সড়কের একটি সেতুর কাছে। ওই পথ ধরে কখন সেনাবাহিনীর গাড়ি যাচ্ছে, সেই খবর পৌঁছে দেওয়া হত পাকিস্তান বা অন্য দেশে থাকা পাক হ্যান্ডলারদের কাছে।
পাক সীমান্তের অনতিদূরে অবস্থিত পঠানকোট দেশের সেনাবাহিনীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। সেই পঠানকোটের সুজনপুরেই জাতীয় সড়কের খুব কাছে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখা হত বলে অভিযোগ। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও পৌঁছে দেওয়া হত পাক হ্যান্ডলারদের কাছে।
পাক পুলিশের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক দলজিন্দর সিংহ ধিঁলো জানিয়েছেন, এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি দুবাই থেকে ধৃত ব্যক্তিকে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। তাঁর বিনিময়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চলে যেত পাক হ্যান্ডলারের কাছে। ধৃত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি সিসি ক্যামেরা এবং একটি ওয়াইফাই রাউটার উদ্ধার হয়েছে।
বলজিতের পাশাপাশি আরও তিন অভিযুক্তকে খুঁজছে পুলিশ। তাঁরা হলেন বিক্রমজিৎ সিংহ, বলবিন্দর সিংহ এবং তরণপ্রীত সিংহ ওরফে তন্নু। পুলিশের বক্তব্য, অভিযুক্তদের প্রত্যেকেই দেশবিরোধী এবং অপরাধমূলক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত।
পুলিশ সূত্রে খবর, পঠানকোট-জম্মু সড়কে কয়েক দিন ধরেই সন্দেহজনক গতিবিধির খবর আসছিল। তার পরেই এই বিষয়ে খোঁজখবর শুরু করেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রেই উঠে আসে চরবৃ়ত্তিতে অভিযুক্ত চার জনের নাম। সিসি ক্যামেরার বিষয়টিও প্রকাশ্যে আসে।