—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আগামী রবিবার রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। যে সব স্কুল এই পরীক্ষার কেন্দ্র হয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্টে পরীক্ষা চালানোর টাকা এলে তা কী ভাবে তোলা হবে, তা নিয়ে আতান্তরে পড়েছেন প্রধান শিক্ষকেরা। এর কারণ মূলত দু’টি। প্রথমত, স্কুলগুলির পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সমিতি না থাকায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (ডিডিও) যৌথ ভাবে স্বাক্ষর করে ওই টাকা তুলতে পারেন। কিন্তু অভিযোগ, অধিকাংশ স্কুলে ডিডিও নিযুক্ত হননি। প্রধান শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, আজ, শুক্রবারই শুধু টাকা তোলার জন্য হাতে সময় আছে। শনিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ। এক দিনে ডিডিও নিযুক্ত করে ব্যাঙ্কে স্বাক্ষর আপডেট হওয়া কার্যত অসম্ভব।
নিয়ম অনুযায়ী, একটি স্কুলের ডিডিও সাধারণত হন সেই স্কুলেরই অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক (এসআই)। নিযুক্ত হওয়ার পরে তিনি প্যান কার্ড, আধার কার্ড ও ছবি স্কুলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের জন্য জমা দিলে তবেই তাঁর স্বাক্ষর আপডেট হয়। এর পরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ডিডিও যৌথ স্বাক্ষর করে টাকা তুলতে পারেন।
মিত্র ইনস্টিটিউশন, ভবানীপুর শাখার প্রধান শিক্ষক রাজা দে বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে ৬৩০ জনের সিট পড়েছে। পড়ুয়া-পিছু ১০০ টাকা করে হলেও ৬৩ হাজার টাকা হওয়ার কথা। সঙ্গে আছে সেন্টার ইন-চার্জের টাকা, জেনারেটরের ভাড়া। এত টাকা স্কুলের কম্পোজ়িট গ্রান্টে নেই। আবার, স্কুলে এখনও ডিডিও নিযুক্ত হননি। তা হলে এই টাকা কী ভাবে তুলব?’’
এ বিষয়ে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের কোনও কর্তা মন্তব্য না করলেও প্রধান শিক্ষকদের একাংশ জানান, আপাতত তাঁদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টেই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। যদিও তাঁদের বড় অংশের প্রশ্ন, তাঁরা কেন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ওই টাকা নেবেন? পরে এ নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দিলে কী হবে? তাঁদের দাবি, যত দ্রুত সম্ভব ডিডিও নিয়োগ করে ওই টাকা স্কুলের অ্যাকাউন্ট থেকেই তোলার ব্যবস্থা করা হোক।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে