(বাঁ দিকে) অমিত শাহ এবং রাহুল গান্ধী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের মামলায় সোমবার উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের এমপি-এমএলএ আদালতে হাজির হয়ে বয়ান নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী গরহাজির থাকায় ২০ ফেব্রুয়ারি শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করল আদালত।
২০১৮ সালে কর্নাটকে ভোটপ্রচারের সময়ে শাহের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা বিজয় মিশ্র। ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই ওই মামলায় হাজিরা দিতে সুলতানপুরে হাজির হয়েছিলেন রাহুল। লোকসভার বিরোধী দলনেতা জানিয়েছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি নির্দোষ। সোমবার শুনানিপর্বে রাহুলের আইনজীবী কাশীপ্রসাদ শুক্লা আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল কেরলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন না।
এর পরে সুলতানপুর এমপি-এমএলএ আদালতের বিচারক শুভম বর্মা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন নির্ধারণ করে জানান, ব্যক্তিগত ভাবে হাজির হওয়ার জন্য রাহুলের কাছে ওই তারিখই ‘শেষ সুযোগ’। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ঝাড়খণ্ডের এক জনসভাতেও শাহের নাম করে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ তুলে রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বিজেপি কর্মী নবীন ঝা। রাঁচীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা বাতিলের আবেদনও জানানো হয়। কিন্তু বিচারক তা খারিজ করে মামলা পর্যালোচনা করার সিদ্ধান্ত নেন। রাহুলকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেন তিনি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টে আবেদন করেন রাহুল। যদিও সেখানে ধাক্কা খান তিনি। হাই কোর্টে আবেদন খারিজ হতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাহুল। গত বছর শীর্ষ আদালত সেই মামলার শুনানিতে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল।