ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। —ফাইল চিত্র।
প্রাথমিক ভাবে কিছু চেষ্টা করে গত মাসেই কাতার হাল ছেড়ে জানিয়ে দিয়েছিল, ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সংঘর্ষ থামাতে আর মধ্যস্থতাকারীর কাজ করবে না তারা। সে দেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ বিন আবদুল আজ়িজ় আল-খুলাইফির বক্তব্য ছিল, আমেরিকা-ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের সেতুবন্ধনের কাজ করেছে কাতার এবং ওমান। কিন্তু তাদের উপরেই বার বার হামলা চালাচ্ছে তেহরান। এ বার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে ফোনে কথা হল কাতারের প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত শেখ মহম্মদ বিন জাসিম আল থানির। ফোনটি গিয়েছিল ভারতের তরফ থেকেই। আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক হামলার বাড়বাড়ন্ত পর্যালোচনা করে দেখেছেন তাঁরা। তার ফলে আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা কী ভাবে প্রভাবিত হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দু’পক্ষই চাইছে শান্তির পথে হেঁটে সংঘাত নিরসন করতে। পশাপাশি জলপথে বাণিজ্য যাতে সুরক্ষিত এবং স্বাধীন থাকে, তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও ঐকমত্য হয়েছে দুই দেশ।
কাতারের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়েছেন, তাঁর দেশ এবং গোটা অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রের উপর ইরানের হামলা বন্ধ করানোর উপর। জলসম্পদ, খাদ্য এবং জ্বালানি পরিকাঠামোর উপর দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো আঘাত হানার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জ্বালানি নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, পরিবেশের সুরক্ষা এবং জলপথে পণ্য পরিবহণ অটুট রাখার মতো বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকারে এনে বাকি দেশগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং বিবাদমান পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসানোর বিষয়ে জোর দিয়েছেনদুই নেতা।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে