—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
কেরলের বিখ্যাত শবরীমালা মন্দিরে সব বয়সের মহিলাদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে কি না, তা নির্ধারণ করবে সুপ্রিম কোর্টের নয় সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। ২০১৮ সালে শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, ওই মন্দিরে সব বয়সের মহিলারা যেতে পারবেন। ওই সুপ্রিম-রায় পুনর্বিবেচনা করার আর্জি জানিয়ে একগুচ্ছ মামলা হয়। আগামী ৭ এপ্রিল থেকে এগুলি শুনবে সাংবিধানিক বেঞ্চ।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পঞ্চোলির বেঞ্চ একটি নির্দেশনামায় জানিয়েছে, নয় সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ এই সংক্রান্ত মামলাগুলি শুনবে। ৭ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় শুনানি শুরু হবে। ৭ থেকে ৯ এপ্রিল রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে করা মামলাগুলি শুনবে সাংবিধানিক বেঞ্চ।
১৪ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত রায় পুনর্বিবেচনার আর্জির বিরুদ্ধে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের বক্তব্য শুনবে আদালত। ২২ এপ্রিল শুনানি শেষ হওয়ার কথা।
কেরলের শবরীমালা মন্দিরের আরাধ্য দেবতা আয়াপ্পা স্বামী। এই মন্দিরে ১০ থেকে ৫০ বছরের মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। ৫৩ বছর ধরে চলা ওই প্রথাকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। সব মামলা একত্রিত করে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বে সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয়। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি আর এফ নরিম্যান, বিচারপতি এ এম খানউইলকার এবং বিচারপতি ইন্দু মলহোত্র। ওই রায়ে তৎকালীন প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, সব বয়সের মহিলাদেরই প্রবেশাধিকার দিতে হবে শবরীমালা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষ আর কাউকেই মন্দিরে প্রবেশে বাধা দিতে পারবেন না।