—প্রতীকী চিত্র।
সামাজিক মাধ্যম কোনও খবরের উৎস হলে, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক খবরের সূত্র গোপন রাখার রক্ষাকবচ পাবেন কি না, তা নিয়ে কোনও উত্তর দিল না সরকার।
বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে সরকারের কাছে সিপিএম সাংসদ জন ব্রিট্টাস জানতে চেয়েছিলেন, ডিজিটাল ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন (ডিপিডিপি) অনুযায়ী কোনও ডিজিটাল তথ্যের উৎস বা সূত্র কি বলতে বাধ্য থাকবেন সাংবাদিকেরা? ব্রিট্টাস আজ সমাজমাধ্যমে লেখেন, নতুন ডিপিডিপি আইনে সাংবাদিকের সূত্র সুরক্ষিত বা খবরের উৎস জানাতে সেই সাংবাদিক বাধ্য কি না সে বিষয়ে সরকার স্পষ্ট কোনও উত্তর দেয়নি।
ব্রিট্টাসের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদ জানান, ‘ডিপিডিপি আইন ডিজিটাল ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার প্রশ্নে একটি নীতিভিত্তিক কাঠামো।’ তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত তথ্য কেবলমাত্র
আইনসম্মত ভাবে ও সম্মতির ভিত্তিতে এবং কী কারণে তা ব্যবহার করা হবে তা জানিয়ে তবেই ব্যবহার করা যাবে। তবে ওই আইন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব, দেশের অখণ্ডতা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে কিছু ছাড় দিয়েছে। গবেষণা ও পরিসংখ্যাগত গবেষণার স্বার্থেও কিছু ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ব্রিট্টাসের বক্তব্য, গোটা উত্তরে সংবাদমাধ্যমকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে বলে কোথাও কোনও উল্লেখ নেই। মন্ত্রী কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন। আইনেও এ ধরনের কোনও রক্ষাকবচের কথা বলা হয়নি। উল্টে আইনের ৩৬ নম্বর ধারা কেন্দ্রকে যে কোনও মধ্যস্থতাকারী (ফেসবুক, এক্স, ওয়টস্যাপ, ইউটিউব) প্ল্যাটফর্ম এমনকি নাগরিকদের তথ্য রয়েছে এমন মোবাইল সংস্থার কাছ থেকে যে কোনও তথ্য দাবি করার ক্ষমতা দিয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে