Kumai Offbeat Village

সামনেই পাহাড়, বয়ে চলেছে নদী, সবুজের আলিঙ্গনে দু’টি দিন কাটিয়ে আসুন কুমাইয়ে

সংসার, চাপ, ক্লান্তিময় জীবনে একটু বিরতি দরকার? তা হলে চলুন এমন এক ঠিকানায়, যেখানে পাহাড়ি হাওয়ার শীতল স্পর্শ ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে। পাহাড়ি সৌন্দর্যে বিভোর হবে মন। এমনই ঠিকানা হতে পারে উত্তরবঙ্গের কুমাই।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:১৯
Share:

ছোট্ট ছুটির গন্তব্য হতে পারে কুমাই। কোথায় সেই ঠিকানা? ছবি: সংগৃহীত।

অফিস, ডেডলাইন, সাংসারিক চাপে হাঁসফাঁস অবস্থা। ক্লান্ত জীবনে একরাশ খুশি বয়ে আনতে পারে কুমাই। পাহাড়ের কোলে ছোট্ট একটি গ্রাম। সবুজ যেন তাকে বেড় দিয়ে রেখেছে। নিরালা সেই পরিবেশই হতে পারে ছোট্ট ছুটির গন্তব্য।

Advertisement

ডুয়ার্স ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে সঙ্গে জুড়ে নিন কুমাই। অথবা শুধুই কুমাইকে ঘিরেও সফর সাজাতে পারেন। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা প্রায় ৩০০০ ফুট। কালিম্পঙের গরুবাথান ব্লকের এই গ্রামটির আশপাশে রয়েছে চা-বাগিচা। বয়ে গিয়েছে মূর্তি নদী। ভুটান, জয়ন্তী নিয়ে বিস্তর আলোচনা হলেও, কুমাই এখনও পর্যটন মহলে অতটা পরিচিত হয়নি। নির্জনতাই হতে পারে এই সফরের সঙ্গী। আকাশসীমা জুড়ে থাকা হিমালয়ের বিস্তার মুছিয়ে দেবে ক্লান্তি।

কুমাই চা-বাগান দেখতে হলে পৌঁছোতে হবে আপার কুমাই। সৌন্দর্য বিচারে এই জায়গা আরও সুন্দর। কুমাই থেকেই কয়েক ঘণ্টা গাড়িতে করে ঘুরে নিতে পারেন আশপাশ।কুমাই গ্রামের ভিউ পয়েন্ট থেকে দৃশ্যমান হয় ভুটানঘাটের পাহাড়, মূর্তি নদী। ডুয়ার্সের আরণ্যক রূপ দেখেই কাটিয়ে দেওয়া যায় সারা দিন।

Advertisement

বসন্তের মরসুমে কুমাই আরও মনোরম। শীতের তীব্রতা এখন তেমন নয়। বরং দিনের বেলাটা বেশ মনোরমই। এই গ্রাম যেন গতিময় জীবনে খানিক বিরতির জন্যই তৈরি।সপ্তাহে একটি দিন হাট বসে এখানে। স্থানীয় হস্তশিল্পের সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন কুমাইয়ের হাটে। এই গ্রাম থেকে ঘুরে নিতে পারেন দুশো বছরের পুরনো বৌদ্ধ স্তূপ। আরণ্যক পরিবেশ, রঙিন পতাকা ঘিরে রেখেছে স্থানটিকে। এ ছাড়া যেতে পারেন কুমাই পার্ক, গুরাস পয়েন্ট।দিন তিনেকের জন্য কুমাইয়ে থাকলে এখান থেকে চলে যেতে পারেন সামসিং, সুনতালেখোলা, রকি আইল্যান্ড, দলগাঁও, ডামডিম, লাটাগুড়ি।

কোথায় থাকবেন?

কুমাইয়ে বেশ কয়েকটি সুন্দর হোম স্টে রয়েছে। গোর্খা জনজাতি পরিবেষ্টিত গ্রামটি খুব শান্ত। এখানকার বাসিন্দারা অতিথিপরায়ণ।

কী ভাবে যাবেন?

নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউমাল জংশন স্টেশন থেকে চালসা, মেটেলি হয়ে আসতে পারেন। আসা যায় খুনিয়া মোড় হয়েও। এনজেপি বা নিউ মাল থেকে শেয়ার গাড়িতে চালসা পৌঁছে, শেয়ার গাড়িতে কুমাই পৌঁছতে পারেন। এনজেপি, নিউ মাল জংশন থেকে গাড়ি ভাড়া করেও পৌঁছোনো যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement