Indore Water Contamination

পুলিশ ফাঁড়ির শৌচাগার নির্মাণে অবহেলা? ইনদওরে ‘বিষাক্ত’ জল খেয়ে মৃত্যুর ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন

গত ২৯ ডিসেম্বর মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের ভগীরথপুরায় ১০ জনের মৃত্যু এবং অনেকের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। তদন্তে নেমে ইনদওরের পুরসভা দেখতে পায় পুলিশ ফাঁড়ির ওই শৌচাগার যে জায়গায় তৈরি, তার নীচের জলের পাইপ ফেটে গিয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:০৮
Share:

ইনদওরে ‘বিষাক্ত’ পানীয় জল খেয়ে মৃত্যু। শোকার্ত পরিবার। ছবি: পিটিআই।

মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে ‘বিষাক্ত’ জল থেকে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এ বার পুলিশ ফাঁড়ির শৌচাগারকে দায়ী করছেন স্থানীয়েরা। অভিযোগ, ওই শৌচাগার তৈরির সময় সঠিক ভাবে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরি করা হয়নি। ওই শৌচাগারের পাইপলাইনের নীচ দিয়ে গিয়েছে জলের পাইপলাইন। অভিযোগ, শৌচাগারের পাইপলাইন থেকে বর্জ্য চুঁইয়ে চুঁইয়ে মিশেছে পানীয় জলের সঙ্গে। তাতেই বিপত্তি। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের গাফিলতির জন্য দোষীদের বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা উচিত।

Advertisement

গত ২৯ ডিসেম্বর মধ্যপ্রদেশের ইনদওরের ভগীরথপুরায় ১০ জনের মৃত্যু এবং অনেকের অসুস্থতার খবর পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। তদন্তে নেমে ইনদওরের পুরসভা দেখতে পায় পুলিশ ফাঁড়ির ওই শৌচাগার যে জায়গায় তৈরি, তার নীচের জলের পাইপ ফেটে গিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি শৌচাগার তৈরির সময় ওই পাইপ ফেটেছে। অসাবধানতার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে তার পরেও হেলদোল ছিল না পুলিশ-প্রশাসনের।

স্থানীয় বাসিন্দা অশোক পাথির কথায়, ‘‘অবহেলার কারণে এতগুলো মানুষের মৃত্যু হল। এর দায় কে নেবে? এটা মর্মান্তিক। এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা উচিত। কাউকে না কাউকে তো এর জবাবদিহি করতে হবে।’’ স্থানীয়দের দাবি, দোষী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাঁদের কথায়, ‘‘আমরা এখনও আতঙ্কে ভুগছি। নিরাপদ পানীয় জল হিসাবে বিশ্বাস করে আমরা যা খেয়েছি তা বিষাক্ত ছিল।’’

Advertisement

এলাকা জুড়ে এতই আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে, চা তৈরির জন্য এখন বোতলজাত জল ব্যবহার করা হচ্ছে চায়ের দোকানগুলিতেও। খাওয়ার বা রান্নার জন্যও বোতলজাত জলই ভরসা। স্থানীয়দের কথায়, ‘‘আমরা জলের কল চালু করলেই আতঙ্কিত থাকি। এ জলে বিষ নেই তো।’’ প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দূষিত জমির মাটি সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। তবে এখনও সেই পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের বাড়ি থেকেও জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement