ধস সরল জাতীয় সড়কে

চার দিন বিছিন্ন থাকার পর আজ যানচলাচল শুরু হল শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কে। তবে শুধু ছোট গাড়িই যাতায়াত করতে গেওয়া হচ্ছে। লাগাতার বৃষ্টিতে বুধবার সকালে ধস নেমে শিলচর-হাফলং জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে পড়েছিল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ অগস্ট ২০১৫ ০৩:১৯
Share:

চার দিন বিছিন্ন থাকার পর আজ যানচলাচল শুরু হল শিলচর-হাফলং ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কে। তবে শুধু ছোট গাড়িই যাতায়াত করতে গেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

লাগাতার বৃষ্টিতে বুধবার সকালে ধস নেমে শিলচর-হাফলং জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে পড়েছিল। তাতে ডিমা হাসাও জেলার সঙ্গে বরাক উপত্যকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে দিন জাতীয় সড়কের বান্দরখালের কাছে দূরবীণটিলায় ধস নামে। মিয়াংক্রতে জলের স্রোতে রাস্তার প্রায় ৩০০ মিটার অংশ ভেসে যায়। দূরবীণটিলায় ধস সরিয়ে রাস্তা যানচলাচলের উপযোগী করে তুললেও, মিয়াংক্র এলাকায় রাস্তা ঠিক হতে কিছু দিন সময় লাগবে। ওই অংশে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি যাতায়াত করছে। যাত্রীদের হেঁটে ৩০০ মিটার পার হয়ে গাড়ি বদল করতে হচ্ছে।

বর্তমানে ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কের মিয়াংক্র, বড়মলকই, বান্দরখালের ওই অংশগুলি কার্যত মরণফাঁদের চেহারা নিয়েছে। ওই সড়কেই ইস্ট-ওয়েস্ট করিডরের নির্মাণকাজ চলছে। সড়কের দায়িত্ব রয়েছে ‘ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া’র (নাহাই) উপরে। প্রশাসনিক সুত্রে জানা গিয়েছে, ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর নির্মাণকাজের দায়িত্ব নাহাই-এর হাতে থাকলেও ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সংস্কারে এখন তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তাতে রাস্তাটি বেহাল হয়ে পড়েছে। নাহাই কর্তৃপক্ষকে দু’মাসের মধ্যে জাতীয় সড়ক সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছে গুয়াহাটি হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছেন উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের সিইএম দেবজিৎ থাওসেন। তিনি বলেন, ‘‘এখনও রাস্তা সংস্কারে হাত দেয়নি নাহাই কর্তৃপক্ষ।’’ এ বিষয়ে নাহাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বরাক উপত্যকা সহ ডিমা হাসাও জেলার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধসকবলিত অংশে ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর নির্মাণকাজে যুক্ত সংস্থা মেরামতি করে। তার জেরে সাময়িক ভাবে সেই রাস্তায় ছোট গাড়ি চলাচল শুরু হয়েছে। তবে আশঙ্কা রয়েছে, বৃষ্টি চলতে থাকলে রাস্তাটি বন্ধ হতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement