ট্যানের সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন নামমাত্র খরচেই। ছবি: সংগৃহীত।
রোদে বেরোলেই যে মুখ-হাত পুড়ে যাবে, এমন নয়। কিন্তু নিয়মিত রোদে বেরোতে হলে গায়ের রং, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য এবং কোমল ভাব ধরে রাখা সহজও হয় না। সামান্য হলেও যত্ন চায় ত্বক। রোজের ব্যস্ত জীবনে মোটেই রূপচর্চার জন্য খুব বেশি সময় বার করা সহজ কাজ নয়। বেছে বেছে বাহারি ক্রিম কিনে, তা মাখাও এক এক সময়ে বেশ কষ্টসাধ্য মনে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে মুশকিল আসান হতে পারে চালের জল দিয়ে।
রূপচর্চায় চালের জল বেশি ব্যবহার করেন চিনারা। ভাত বসানোর আগে চালের জল এক বার ঝেড়ে নেওয়া হয় বহু বাড়িতেই। সেই জলটি ফেলে না দিয়ে চুল ও ত্বকের যত্নে দিব্যি ব্যবহার করেন তাঁরা।
চাল ভেজানো জলে কী কী গুণ রয়েছে?
১) চালধোয়া জলে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে। এতে ভাল মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। তুলোয় করে চালধোয়া জলটা নিয়ে সারা মুখে নিয়মিত লাগাতে পারেন। কয়েক মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বক হবে নরম, উজ্জ্বল।
২) সারা বছর ব্রণর সমস্যা লেগে থাকে? চালধোয়া জলের রোজকার ব্যবহার কমিয়ে দেয় অ্যাকনের সমস্যা।
৩) রোদ থেকে ফিরে সানবার্নের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে চালধোয়া ঠান্ডা জল মুখে লাগাতে পারেন।
৪) চুলের জন্যও চালধোয়া জল উপকারী। শ্যাম্পু করার পর ওই জল দিয়ে চুল ভিজিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। তার পর আবার পরিষ্কার জলে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে এক বা দু’দিন এই জল ব্যবহার করলে চুল হবে নরম, ফুরফুরে হবে। চুলের জেল্লাও ভার। চুলের কন্ডিশনিং করতেও এই জলের জুড়ি মেলা ভার।
৫) অতিরিক্ত গরমে, প্রচণ্ড রোদে ত্বকে দেখা দেয় র্যাশের সমস্যা। অনেক সময়ে মুখে ফোলা ভাবও দেখা যায়। তা দূর করতে হাতিয়ার করতে পারেন চালধোয়া জলকে। এই জলে তুলো ভিজিয়ে তা আলতো করে মুখে লাগান। বেশ কিছু ক্ষণ সে ভাবে রাখুন। জল শুকিয়ে গেলে আর এক বার মুখ ধুয়ে ফেলুন।