ছানার জলের পুষ্টিগুণ জানেন কি! ছবি: সংগৃহীত।
পাতিলেবুর রস বা সাদা ভিনিগার কিংবা ছানা কাটানোর পাউডার দিয়ে দুধ থেকে ছানা তৈরি করা হয়। ছানা তৈরির সময়ে যে ঈষৎ সবুজ জলটি তৈরি হয়, সেটি সাধারণত ফেলেই দেন সকলে। কিন্তু জানেন কি এই জলের পুষ্টিগুণ!
ছানার জলে অ্যালবুমিন ও গ্লোবিউলিন নামে দু’টি প্রোটিন থাকে। এ ছাড়াও এতে থাকে কার্বোহাইড্রেট। কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, নিম্ন রক্তচাপ থাকলেও ছানার জল খেতে পারেন। পেশি শক্ত করতে ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে ছানার জল। সেই জল দিয়েই যদি রুটির আটা মাখা হয়, তাতে লাভ বৈ ক্ষতি নেই।
· ছানার জলে থাকা প্রোটিন এবং পুষ্টিগুণ জুড়ে যায় রুটিতে। সাধারণ জলের বদলে শুধু ছানার জলের ব্যবহারেই বাড়তি পুষ্টি মিলতে পারে।
· ছানার জলে থাকে ওয়ে প্রোটিন। ঈষদুষ্ণ ছানার জল দিয়ে ভাল করে আটা মাখলে, রুটি নরম হয়, স্বাদুও হয়। দীর্ঘ ক্ষণ রাখার পরেও রুটি শক্ত হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে না।
দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরির সময় যে জলটি বেরোয় তা দিয়েই মাখতে হবে রুটির আটা। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
· ছানার জল দেওয়ায় রুটির স্বাদ কিঞ্চিৎ বদলাতে পারে। কারও কাছে তা বাড়তি স্বাদু হয়ে উঠতে পারে।
· অনেক সময়ে রুটি ঠিকমতো ফোলে না। কিন্তু ছানার জল দিয়ে রুটি মেখে অন্তত ১০-১৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে দিলে, রুটি ভাল হবে। ফুলবেও ভাল।
· ছানার জল ফেলে নষ্ট করার চেয়ে সেটি কাজের লাগিয়ে অন্য খাবারে পু্ষ্টির মাত্রা বৃদ্ধি করাই ভাল।