কাঁচা অ্যাভোকাডোকে দু’মিনিটে কী ভাবে পাকাবেন? ছবি: সংগৃহীত।
সমাজমাধ্যমে যে সব উপকারী ফল নিয়ে চর্চা চলে, তার মধ্যে অ্যাভোকাডো একটি। কেউ তা খাচ্ছেন পাউরুটিতে মাখনের মতো মাখিয়ে, কেউ আবার অ্যাভোকাডো দিয়ে বানাচ্ছেন স্মুদি। কেউ আবার স্যালাড বানিয়ে খাচ্ছেন অ্যাভোকাডো দিয়ে। ফলটির পুষ্টিগুণ নিয়ে কোনও সংশয় নেই। অন্যান্য ফলের চেয়ে এতে ক্যালোরির পরিমাণ একটু বেশি হলেও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে কম। এতে মেলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, নানা রকম ভিটামিন, যেমন বি, সি, বি৬ এবং বিভিন্ন খনিজ। অ্যাভোকাডোয় রয়েছে হার্টের পক্ষে ভাল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার। অন্যান্য ফলের তুলনায় অ্যাভোকাডোর দাম অনেকটাই বেশি। চড়া দামে কিনেও অনেক সময় ঠকতে হয়, দেখে ভাল মনে হলে ভিতর থেকে কাঁচা বেরিয়ে যায় অনেক ফল। কোনটি ভাল কেনার আগে কী করে বুঝবেন?
১) অ্যাভোকাডো গাঢ় সবুজ রঙের হলে বুঝতে হবে, সেটি মোটেও পাকা নয়। ফলটির খোসায় কালচে রং ধরলে বুঝতে হবে, সেটি পাকা।
২) অ্যাভোকাডো হাতের মুঠোয় ধরে আলতো চাপ দিন। যদি নরম মনে হয়, বুঝতে হবে সেটি বেশি পাকা। যদি একটু শক্ত থাকে বুঝতে হবে অ্যাভোকাডো অতিরিক্ত পাকা নয়। কাঁচা অ্যাভোকাডোর স্বাদ তিতকুটে হয়, তাই কেনার আগে সতর্ক থাকুন।
৩) অ্যাভোকাডোর উপরের দিকের খোসাটি নখের সাহায্যে তোলার চেষ্টা করুন। যদি সহজে উঠে আসে এবং ভিতরে সবুজ শাঁস উঁকি দেয় বুঝতে হবে, ফলটি পাকা। ভিতরের অংশ বাদামি বর্ণের হলে সেটি বেশি পাকার লক্ষণ। যদি সহজে বৃন্তের দিকটি উঠে না আসে বুঝতে হবে, ফলটি এখনও কাঁচা রয়েছে।
অনেক সময়ে সব নিয়ম জানার পরেও ভুল হয়। বাজার থেকে টাটকা অ্যাভোকাডো কিনে এনে স্যান্ডউইচ বানানোর সময়ে যদি দেখেন সেটি কাঁচা, তখন বিরক্তির শেষ থাকে না। তবে কাঁচা অ্যাভোকাডো দু’মিনিটেই পাকিয়ে ফেলতে পারেন। অ্যাভোকাডোটি দেড় থেকে দু’ মিনিট মাইক্রোওয়েভ করে নিলেই হতে পারে মুশকিল আসান। উপায় জানলে ফল পাকতে সময় লাগে মাত্র দু’ মিনিট।