টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ছবি: পিটিআই।
অধিনায়ক হিসাবে প্রথম বার বিশ্বকাপে নেমেই চ্যাম্পিয়ন। দেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন সূর্যকুমার যাদব। তবে এখনই থামতে রাজি নন তিনি। বিশ্বজয়ের রাতেই নিজের পরের দুই লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন সূর্য।
বিশ্বকাপ জিতে সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতই চমক দেন সূর্য। মহিলা সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তাঁকে আন্তর্জাতিক নারীদিবসের শুভেচ্ছা জানান। তার পর তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারত অধিনায়ক হিসাবে তাঁর পরের লক্ষ্য কী। তিনি বলেন, “সবে তো শুরু। এর পরের লক্ষ্য হল ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সে সোনা জেতা। সেই বছরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেটাও জিততে নামব।” ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হবে। প্রথম বারই সোনা জেতার লক্ষ্যে নামবেন সূর্য। পাশাপাশি দু’টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কও হতে চান তিনি।
সূর্য জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের সম্পর্ক খুব ভাল। ভারত অধিনায়ক বলেন, “গৌতি ভাইয়ের অধীনে আমি চার বছর খেলেছি। ওকে খুব ভাল ভাবে চিনি। আমাদের ভাবনা মেলে। আমরা দু’জনেই দলের ভালর কথাই ভাবি। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গৌতি ভাইকে আমি চোখ বন্ধ করে ভরসা করি।”
সূর্যের মতে, দলের প্রত্যেকে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রত্যেকের কথা আলাদা ভাবে শোনেন তিনি। অধিনায়ক বলেন, “গত দু’বছর ধরে এই কাজটাই করছি। একটা ভাল সাজঘর তৈরি করেছি। কারও কোনও সমস্যা থাকলে তাকে নৈশভোজে নিয়ে যাই। কথা শুনি। আমি প্রত্যেকের কথা শুনি। কারণ আমার মতে, প্রত্যেকের যদি বাক্স্বাধীনতা না থাকে, তা হলে সেই দল সফল হতে পারে না। তাই সকলের কথা শোনাটা জরুরি। সেই কারণেই ওরা আমার কথাও শোনে।”
ক্রিকেটারের জীবনে সাফল্যের চেয়েও ব্যর্থতা বেশি আসে বলে মনে করেন সূর্য। তবে তার মধ্যেই এগিয়ে যেতে হয়। সূর্য বলেন, “জীবনে উত্থান-পতন হবেই। গত বছর একটাও অর্ধশতরান করতে পারিনি। আমারও কঠিন সময় গিয়েছে। কিন্তু নিজের উপর ভরসা রেখেছি। পরিশ্রম করেছি। সকলকেই সেটা করতে হবে। এটাই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র।”