হেনরিখ ক্লাসেন। —ফাইল চিত্র।
কলকাতার বিরুদ্ধে ২৭৮ রান করেছিল হায়দরাবাদ। কলকাতার ইনিংস শেষ ১৬৮ রানে।
পর পর উইকেট হারাচ্ছে কলকাতা। রিঙ্কু এবং রাসেল পর পর দু’বলে আউট। তাঁদের ফেরালেন হর্ষ দুবে। পাঁচ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে কলকাতা। হায়দরাবাদের পেসারেরা স্লোয়ার দিচ্ছিলেন, তাতে সমস্যা হচ্ছিল। চাপ তইরির হচ্ছিল। দলের স্পিনারের তা কাজে লাগালেন।
স্লোয়ার দিচ্ছেন হায়দরাবাদের পেসারেরা। কলকাতা পেসারদের সঙ্গে এখানেই পার্থক্য তৈরি হয়ে যাচ্ছে। বলের গতি কমিয়ে দেওয়ায় সমস্যায় পড়ছেন রাহানেরা। সুনীল নারাইন আউট হয়ে গিয়েছেন। বাকি ব্যাটারেরাও হাত খুলতে সমস্যায় পড়ছেন।
৩৭ বলে শতরান করলেন ক্লাসেন। শুরুটা করেছিলেন হেড। কিন্তু ক্লাসেন যে ভাবে খেললেন তাতে বাকি সকলের ইনিংস ম্লান হয়ে গেল। ক্লাসেনকে কী ভাবে আটকানো সম্ভব তা ভেবেই পেলেন না রাহানেরা। স্পিন বা পেস কোনও আক্রমণই কাজে লাগল না। কলকাতার সব বোলারেরা এলেন এবং রান দিলেন।
অভিষেক আউট হওয়ার পর ব্যাট করতে নামেন ক্লাসেন। তিনি অর্ধশতরান করতে নেন মাত্র ১৭ বল। একের পর এক ছক্কা আর বাউন্ডারিতে কেকেআরের বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। এমন জায়গায় বল করছেন হর্ষিতেরা যে, সহজেই ছক্কা হাঁকাচ্ছেন ক্লাসেন এবং হেড।
পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেটই তুলতে পারলেন না কলকাতার পেসারেরা। বৈভব, অনরিখ এবং হর্ষিত মিলে ৭৯ রান দিলেন। ২৩ বলে ৪৭ রান করে ফেলেছেন হেড। হাত খুলতে শুরু করেছেন অভিষেক শর্মাও। পাওয়ার প্লে-তে উইকেট না হারালে ব্যাটিং দল আত্মবিশ্বাস পেয়ে যায়। কলকাতার বিরুদ্ধে বড় রান তোলার ভিত গড়ে দিয়েছেন অভিষেক এবং হেড। ম্যাচে ফিরতে হলে কলকাতাকে উইকেট তুলতে হবে। সেই কাজের জন্য রাহানের ভরসা অবশ্যই দলের স্পিনারেরা।
প্রথম ওভারে মাত্র ২ রান দিয়েছিলেন। নিজের দ্বিতীয় ওভারে বল করতে এসে বলের লাইন, লেংথ গণ্ডগোল করে ফেললেন বৈভব অরোরা। ১৯ রান দিলেন সেই ওভারে। ট্রেভিস হেড একাই ঝড় তুলেছেন। রান দেওয়ার শুরুটা যদিও করেছিলেন এনরিখ নোখিয়ে। তিনি এক ওভারে ২০ রান দিয়েছিলেন।
ওপেন করবেন কুইন্টন ডি’কক এবং সুনীল নারাইন। দলে রয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে, মণীশ পাণ্ডে, রিঙ্কু সিংহ, আন্দ্রে রাসেল, রমনদীপ সিংহ, বৈভব অরোরা, হর্ষিত রানা, অনরিখ নোখিয়ে এবং বরুণ চক্রবর্তী।
দিল্লির মাঠে মুখোমুখি কলকাতা এবং হায়দরাবাদ। টস জিতলেন প্যাট কামিন্স। তিনি প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন।