লুঙ্গি এনগিডি। —ফাইল চিত্র।
ক্যাচ ধরতে গিয়ে ঘাড়ে চোট পেয়েছিলেন লুঙ্গি এনগিডি। দিল্লি ক্যাপিটালসের জোরে বোলারকে মাঠ থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। ঘাড়ে এবং মাথায় যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এনগিডিকে নিয়ে তৈরি হয় উদ্বেগ। দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার নিজেই ক্রিকেটমহলের সেই উদ্বেগ কমিয়েছেন।
শনিবার দিল্লির রাজেন্দ্র নগরের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এনগিডিকে। চোট পাওয়ার পর রবিবার সমাজমাধ্যমে প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। এনগিডি লিখেছেন, ‘‘আপনাদের উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ। সব ভাল আছে।’’ তাঁর এই পোস্ট থেকে বোঝা গিয়েছে, পরিস্থিতি স্থিতিশীল। এনগিডির চোট কতটা গুরুতর তা জানা যায়নি। হাসপাতালে বেশ কিছু পরীক্ষা করানো হয়েছে প্রোটিয়া জোরে বোলারের। চিকিৎসকেরা অবশ্য শনিবারই জানান, ভয়ের কিছু নেই।
ঘটনাটি ঘটে পঞ্জাব কিংসের ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে। অক্ষর পটেলের বল প্রিয়াংশ আর্য তুলে মেরেছিলেন। পিছনের দিকে ছুটতে ছুটতে ক্যাচ ধরতে যান এনগিডি। ক্যাচ ধরতে পারেননি। তবে খারাপ ভাবে মাটিতে পড়েন। তাঁর মাথা মাটিতে সজোরে ধাক্কা খায়। সঙ্গে সঙ্গে মাথা চেপে ধরে মাটিতে শুয়ে পড়েন তিনি।
পরিস্থিতি বুঝে মাঠেই চিকিৎসকদের ডেকে নেওয়া হয়। দূর থেকে দেখে মনে হয়েছিল, এনগিডি অচৈতন্য হয়ে গিয়েছেন। মাঝে এক বার তাঁকে চোখ খুলতে দেখা গেলেও পর ক্ষণেই বন্ধ করে দেন। পরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে দেখা যায় তাঁকে। তখনই বোঝা গিয়েছিল তাঁর আর খেলা সম্ভব নয়। কিন্তু চোট কতটা গুরুতর সেটা তখন বোঝা যায়নি।
এর পর মাঠে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ঢুকতে দেখা যায়। এনগিডিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য আনা হয় একটি স্ট্রেচার। তবে সঙ্গে সঙ্গে তোলা যায়নি। এনগিডির শরীর শক্ত হয়ে গিয়েছিল। কোনও মতে তাঁকে স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুল্যান্সে তোলা হয়। সেই সময় এনগিডিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর জাতীয় দলের সতীর্থ ট্রিস্টান স্টাবস, ডেভিড মিলারেরা। পঞ্জাবের কোচ রিকি পন্টিংকেও গম্ভীর মুখে মাঠে ঢুকতে দেখা যায়। এনগিডিকে নিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স মাঠ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর খেলা আবার শুরু হয়। গ্রিন করিডর করে ১১ মিনিটে অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম থেকে রাজেন্দ্র নগরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রিকেটারকে।