—প্রতীকী চিত্র।
স্মার্টফোন হোক বা কম্পিউটার-ল্যাপটপ। প্রসেসারের উপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের পারফরম্যান্স। আর তাই গ্রাহকদের মধ্যে মিডিয়াটেকের বদলে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসার যুক্ত গ্যাজেট কেনার প্রবণতা রয়েছে। বর্তমানে বাজারে বিক্রি হয় এই সংস্থার বিভিন্ন ধরনের প্রসেসার। কোন কাজে কোনটা ব্যবহার করা ভাল? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসারগুলির তালিকায় প্রথমেই আসবে এইট সিরিজ়, যার মধ্যে স্ন্যাপড্রাগন ৮ জ়েন৫ এবং ৮ এলিট উল্লেখযোগ্য। স্মার্টফোন বা কম্পিউটার-ল্যাপটপে এই প্রসেসার থাকলে অনায়াসেই ভিডিয়ো এডিটিং এবং কৃত্রিম মেধা বা এআই (আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স) ভিত্তিক যাবতীয় কাজ করতে পারবেন গ্রাহক। তা ছাড়া ৪কে ও ৮কে-তে তোলা যাবে ছবি, হবে ভিডিয়ো রেকর্ডিং। এগুলির ইমেজ প্রসেসিং পারফরম্যান্সও দুর্দান্ত।
স্ন্যাপড্রাগনের ৮ সিরিজ়ের প্রসেসারের দ্বিতীয় সুবিধা হল ভিডিয়ো গেম। বিডিএমআই ও জেনশিন ইমপ্যাক্টের মতো গেম খেলার ক্ষেত্রে ডিভাইসে এই প্রসেসার থাকা ভাল। তাপ নিয়ন্ত্রণ করে স্মার্টফোন ও কম্পিউটার-ল্যাপটপকে স্থিতিশীলতা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে তাদের। তা ছাড়া দীর্ঘ দিন ধরে এর আপডেট দিয়ে থাকে মার্কিন টেক জায়ান্ট কোয়ালকম।
এই তালিকায় দ্বিতীয় নাম সেভেন সিরিজ়, যাতে রয়েছে ৭এস জেন ফোর, ৭ জেন ফোর এবং ৭ জেন থ্রির মতো স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসার। ‘অলরাউন্ডার’ স্মার্টফোনের জন্য এগুলিকে আদর্শ বলে উল্লেখ করেছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, স্ন্যাপড্রাগনের ৭ সিরিজ়ের প্রসেসার থাকা ডিভাইসে দুর্দান্ত গেমিংয়ের স্বাদ পাবেন গ্রাহক। ভাল হবে ইমেজ প্রসেসিং। ফলে স্মার্টফোনে ছবি তোলা নেশা হলে, এই প্রসেসার আছে কি না তা দেখে নেওয়া উচিত।
‘বাজেট-বান্ধব’ স্মার্টফোনে আবার স্ন্যাপড্রাগনের ছয় সিরিজ়ের প্রসেসার থাকা ভাল। সে ক্ষেত্রে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা এক্স হ্যান্ডল (সাবেক টুইটার)-সহ বিভিন্ন সমাজমাধ্যম ব্যবহারে কোনও সমস্যা হবে না গ্রাহকের। দেখতে পারবেন সিনেমা। মিলবে নিত্য দিনের অতি প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরিষেবাও। তবে ভিডিয়ো গেমে সমস্যা হতে পারে। লো সেটিংয়ে কাজ চালানো গোছের খেলা চালিয়ে যেতে পারবেন ব্যবহারকারী। পাশাপাশি, ব্যাটারিকে ভাল রাখতে সাহায্য করে এই সিরিজ়ের প্রসেসার।