বাসে চেপে দলবল নিয়ে সিনেমা দেখাতে যাচ্ছেন পরিচালক। প্রথাগত ভাবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে না সে ছবি। নাট্যমঞ্চে পর্দায় প্রোজেকশন করে দেখানো হচ্ছে ছবি। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের ‘নধরের ভেলা’র সেই ছকভাঙা যাত্রায় আনন্দবাজার ডট কম। কেন এ ভাবে পরিবেশনা? ছকভাঙা সিনেমা বানানোর সঙ্গে সঙ্গে কেন ছকভাঙা পরিবেশনার কথাও ভাবছেন পরিচালক?
কোন ছবি হল পেল, আর কে পেল না? কে কত দিনের জন্য হল পেল, এ সব তর্কে আজকাল সরগরম থাকে টলিপাড়ার রাজনীতি। গিল্ডের নিয়ম মেনে, তাদের কলাকুশলীদের নিয়ে ছবি না বানালে যে হল রিলিজ় আটকে যেতে পারে, তার নজিরও আছে। বড় প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে তৈরি, তারকাখচিত বড় ছবির ভিড়ে ইন্ডিপেন্ডেন্ট, অল্পপুঁজির ছবিরা পাত্তাও পায় না। প্রদীপ্তর আগের ছবি ‘রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত’ প্রথমে কলকাতায় একটাও হল পায়নি। সব বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ানোর জন্যই যে আহ্বান আসে, তেমনটা নয়।