ছবি: সংগৃহীত।
ট্রেনের খাবার খেয়ে মারাত্মক অ্যালার্জিতে ভুগছেন এক যাত্রী। সেই খাবার খাওয়ার পর ডায়েরিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে তাঁর সন্তানের। বারাণসী থেকে দেওঘরগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করার পর এক তরুণী অভিযোগ করেছেন যে, ট্রেনের খাবার খেয়ে তাঁর মারাত্মক অ্যালার্জি হয়েছে। তাঁর দু’বছরের ছেলেরও ডায়েরিয়া হয়েছে। সমাজমাধ্যমে তাঁর ফোলা ঠোঁটের ছবি এবং মেডিক্যাল রিপোর্ট শেয়ার করেছেন ওই তরুণী। ভাইরাল হয়েছে সেই পোস্টটি। যদিও এই ভাইরাল পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
এক্স হ্যান্ডলের সেই পোস্টে তরুণী জানিয়েছেন, গত ২৭ মার্চ তিনি বারাণসী থেকে দেওঘরগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ই-ওয়ান কোচে ভ্রমণ করছিলেন। তখনই ঘটনাটি ঘটে। ট্রেনে পরিবেশিত দুপুরের খাবার খাওয়ার পর পরই তাঁর তীব্র অ্যালার্জির সূত্রপাত হয়। সেই একই খাবার খেয়ে যাত্রাপথে তাঁর শিশুসন্তানও অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রমাণস্বরূপ পোস্টে প্রেসক্রিপশন-সহ তাঁর ফোলা ঠোঁটের ছবি দেখান। তিনি ২৪ ঘণ্টার হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। এ-ও জানান যে, চিকিৎসা পেতে দেরি হলে তাঁর অবস্থা প্রাণঘাতী হতে পারত। ট্রেনে পরিবেশন করা পানীয় জল নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তরুণী।
যাত্রীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আইআরসিটিসি। ২৭ মার্চের ওই রুটের বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (কোচ ই১) মধ্যাহ্নভোজ পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তা সন্তোষজনক বলে প্রমাণিত হয়েছে। সে দিন খাবারের গুণমান/স্বাস্থ্যবিধি বা নিরাপত্তা নিয়ে অন্য কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে পাল্টা দাবি জানিয়েছে সংস্থা। আইআরসিটিসির জবাবে সন্তুষ্ট হননি ভুক্তভোগী যাত্রী। তিনি লেখেন, “আমি খুশি যে আর কেউ অসুস্থ হননি। কিন্তু আমি আর আমার ছেলে হয়েছি। আমরা যা কিছু খেয়েছিলাম, তা শুধু ‘বন্দে ভারত’-এই খেয়েছিলাম। সংস্থার কাছে বিষয়টি গুরুত্বের নয় কারণ একমাত্র আমরাই কষ্ট পেয়েছি।”
কয়েক দিন আগেই বন্দে ভারতের অন্য একটি রুটের যাত্রীকে পরিবেশন করা দইয়ে পোকা পাওয়ার ঘটনায় তুমুল হইচই শুরু হয়েছিল। দইয়ে জীবন্ত পোকা পাওয়ার ঘটনায় রেল মন্ত্রক আইআরসিটিসি-কে ১০ লক্ষ টাকা এবং ক্যাটারিং পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাকে ৫০ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে।