Jobs in Kolkata

ফ্রিল্যান্স আবার অভিজ্ঞতা নাকি! বিপুল বেতন কমিয়ে চাকরির প্রস্তাব দিল সংস্থা, ‘পেশাদারিত্বের অভাবে’ ধিক্কার নেটপাড়ার

সম্প্রতি একটি সংস্থায় আবেদন করে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয় এক চাকরিপ্রার্থীর। সাধারণত নতুন সংস্থায় যোগ দিলে সকলেই চান বেতন যেন কিছুটা বাড়ে। কিন্তু হল সম্পূর্ণ বিপরীত। এক বিরাট অঙ্কের বেতন কমানোর প্রস্তাব দিল সংস্থাটি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ১৬:৩৫
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

সব মানুষই কর্মজীবনে উন্নতি চান বলা চলে। সেই ভাবনা থেকেই তাঁরা কখনও কাজের পরিসর বদলান, কখনও বা নতুন কোনও সংস্থায় যোগ দেন। তবে, অনেক সময়ই সংস্থার কর্মকর্তারা এমন অদ্ভুত প্রস্তাব দিয়ে বসেন, যা হতাশা তৈরি করে। তেমনই একটি ঘটনা সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমের পাতায়।

Advertisement

রেডিটের ‘আর/ইন্ডিয়ানওয়ার্কপ্লেস’ নামের একটি হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্ট করা হয়েছে। যদিও পোস্টটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। সেখানে এক ব্যক্তি লেখেন যে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে তাঁর ১০ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। সম্প্রতি তিনি এমন একটি সংস্থায় ডিজিটাল মার্কেটিং ম্যানেজার পদের জন্য আবেদন করেছিলেন, যাদের বার্ষিক বিজ্ঞাপনী খরচ ৮ কোটি টাকা। কিন্তু সংস্থার তরফে যে ভাবে তাঁর যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক বলে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।

ওই ব্যক্তি এক জন ফ্রিলান্সার ছিলেন, আন্তর্জাতিক স্তরে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু এই বিষয়টিকে কাজের ‘বিরতি’ বলে দেগে দিয়েছে সংস্থাটি। এমনকি সে সময় তাঁর যা আয় ছিল, তা-ও ধর্তব্যে নেওয়া হয়নি। সেই অনুযায়ী বেতনকাঠামো স্থির করতেও নারাজ ছিল তারা। ওই পোস্টে লেখা হয়েছে বেঙ্গালুরুতে ৮ বছর কাজ করে ২০২৪ সালে কলকাতায় ফিরে আসেন ওই ব্যক্তি। শেষ যে সংস্থায় তিনি কাজ করতেন, সেখানে বাড়িতে বসেই কাজ করা যেত। সেই কারণে তাঁর বেতন ইতিমধ্যেই ৫০% কমানো হয়েছিল। নতুন সংস্থাটি তাঁকে তারও ২৭.৫% কম বেতনের প্রস্তাব দেয়।

Advertisement

আরও লেখা হয়েছে যে, শেষ বেতনের চেয়ে ৮.৭% বেশি বেতন চেয়েছিলেন ওই চাকরিপ্রার্থী। সেই সঙ্গে এ-ও বলেন যে, তাঁর কাজের ধরন দেখে ৬ মাস পর যেন বেতনকাঠামোর বিষয়টি আবার ভেবে দেখা হয়। কিন্তু ওই সংস্থা সেই কথাতেও সম্মত হয়নি। তাঁদের কথা ছিল, কলকাতায় বসে বেঙ্গালুরুর নিরিখে বেতন দাবি করছেন ওই ব্যক্তি। এমনটাই জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থী। তিনি এ-ও লিখেছেন যে, তিনি আদৌ তা চাননি। বরং কলকাতার মাপকাঠিতেই বেতন প্রত্যাশা করেছিলেন। সবশেষে লেখা হয়েছে যে, সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হল, ওই সংস্থার প্রতিটি কথাই ছিল বেতন কম দেওয়ার অজুহাত মাত্র। কারও যোগ্যতার সঠিক মূল্যায়ন করার কোনও ইচ্ছাই ছিল না তাঁদের।


ওই পোস্ট থেকে আরও জানা গিয়েছে, পরে ওই সংস্থার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান নতুন একটি বেতনকাঠামোর প্রস্তাব দেয়। তা চাকরিপ্রার্থীর শেষ বেতনের চেয়ে ৫০০০ টাকা কম ছিল এবং ওই ব্যক্তিকে অস্থায়ী কর্মী হিসাবে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পোস্টটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে। প্রায় সকলেই ওই পোস্টদাতাকে সমর্থন করেছেন। অনেকেই নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন। সংস্থার পেশাদারিত্বের অভাব রয়েছে বলে মনে করেছেন নেটাগরিকেরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement