Viral Video

রাতের আকাশে ‘মহাজাগতিক বিস্ময়’! অগ্ন্যুৎপাত এবং উল্কার যুগলবন্দির অদ্ভুত দৃশ্যে অভিভূত নেটপাড়া, ভাইরাল ভিডিয়ো

সম্প্রতি একটি বিরল মহাজাগতিক ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, একটি অগ্ন্যুৎপাতরত আগ্নেয়গিরির পেছন দিয়ে ছুটে চলেছে একটি অগ্নিগোলক, যার রং সবুজ। অসাধারণ সেই দৃশ্য মুগ্ধ করেছে সকলকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ১৪:৪৬
Share:

ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।

প্রকৃতি অবিরত আমাদের বিস্মিত করে চলে। তার ক্যানভাসে অনেক সময়ই এমন সব দৃশ্য আঁকা হয়, যার তুলনা হয় না। তেমনই এক বিরল ঘটনার ভিডিয়ো সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, ফিলিপাইনের অগ্ন্যুৎপাতরত মায়োন আগ্নেয়গিরির পেছন দিয়ে ছুটে চলেছে একটি সবুজ অগ্নিগোলক। ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অফ ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি (পিএইচআইভিওএলসিএস) গত ২৫ মে, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১০:৩৩ মিনিটে এই বিস্ময়কর ঘটনাটি রেকর্ড করেছে। ভিডিয়োটিতে দেখা গেছে, ওই দেশের অন্যতম সক্রিয় এই আগ্নেয়গিরির উত্তর ঢালের ঠিক উপর দিয়ে উজ্জ্বল উল্কাটি যেন আছড়ে পড়ছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে উল্কাপিণ্ডটি আগ্নেয়গিরির উপরেই আঘাত হেনেছে। কিন্তু ভূকম্পীয়, ইনফ্রাসাউন্ড এবং ভিডিয়ো থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে পিএইচআইভিওএলসিএস নিশ্চিত করেছে, বস্তুটি বায়ুমণ্ডলেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছে। মায়োন তার প্রায় নিখুঁত প্রতিসম শঙ্কু আকৃতির জন্য বিখ্যাত, তাই এটিকে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর আগ্নেয়গিরি বলা হয়ে থাকে। এই বিশেষ আকৃতির কারণেই দৃশ্যটি আরও মনোরম হয়ে উঠেছে বলে মত অনেকের।

ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে প্রায় ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটিকে দেশের ২৪টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরির মধ্যে সবচেয়ে অস্থিতিশীল বলে মনে করা হয়। উল্কাপাতের সময় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ধোঁয়া আর লাভার প্রবাহ রাতের আকাশকে আলোকিত করে তুলেছিল। তা বিজ্ঞানী এবং আকাশ পর্যবেক্ষকদের হতবাক করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিকেল বা ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থ পোড়ার কারণেই এই বিরল সবুজ রং দেখা যায়। সমাজমাধ্যম এক্স-এর (সাবেক টুইটার) ‘বেকে’ নামক একটি হ্যান্ডল থেকে ভিডিয়োটি ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেছেন নেটাগরিকেরা। ভিডিয়োটিতে ৮৫ হাজারেরও বেশি মানুষ পছন্দ-চিহ্ন এঁকে দিয়েছেন। বহু মানুষ শেয়ার করেছেন। অজস্র মন্তব্য জমা পড়েছে মন্তব্যবাক্সে। এক সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী লিখেছেন, “যেন কোনও সায়েন্স ফিকশন ছবির দৃশ্য।” তাঁর কথার পিঠে এক জন আবার বলেছেন, “একমাত্র প্রকৃতিই এমন দৃশ্য তৈরি করতে পারে, হলিউডের সাধ্য নেই।” এমন দৃশ্যের সাক্ষী হওয়া সৌভাগ্য বলে মনে করেছেন প্রায় সকলেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement