ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
খরচ কম হবে বলে ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে একটি ব্যবহৃত ওয়াশিং মেশিন কিনেছিলেন তরুণ। ট্যাঁকের টাকা খরচ করে কিনলেও লাভের লাভ হল না তাঁর। কারণ, ওয়াশিং মেশিনটি বিকল। শত চেষ্টা করেও সেই মেশিনের ড্রায়ারে কাপড় শুকোনো যাচ্ছে না। অন্য দিকে, বিক্রেতাও তাঁর সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে দিয়েছেন। বাধ্য হয়ে ওয়াশিং মেশিন সারাইয়ের জন্য কর্মীকে ডাকলেন তরুণ। ড্রায়ারটি খুলতেই সেখান থেকে বার হল কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘রাপমারআপ’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, একটি ওয়াশিং মেশিনের ভিতরের যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করতে গিয়ে খুলে ফেলা হচ্ছে। মেশিন খুলতেই সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ল একগাদা নোট। ক্রেতার অভিযোগ, তিনি ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে একটি ব্যবহৃত ওয়াশিং মেশিন কিনেছিলেন। দাম কম পড়েছিল ঠিকই। কিন্তু সেই মেশিন আদতে কোনও কাজে লাগছিল না তাঁর। ক্রেতার দাবি, মেশিনের ড্রায়ার বিকল থাকায় কোনও কাপড়ই শুকোচ্ছিল না।
ফেসবুকের মাধ্যমে বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রেতার অভিযোগ, পুরনো ওয়াশিং মেশিন বিক্রি করার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করে দেন। কোনও ভাবেই যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছিল না। উপায় না দেখে তিনি মেশিন সারাইয়ের কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই কর্মী এসে মেশিন খুলতেই সেখান থেকে বেরিয়ে পড়ে প্রচুর নোট। ড্রায়ারের ভিতরেও প্রচুর নোট গোঁজা রয়েছে।
ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ঘটেছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তবে ভিডিয়োটি ভাইরাল হতে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে নেটপাড়ায়। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘ক্রেতা তো পুরনো জিনিস কিনে লটারি পেয়ে গেলেন। এ তো চরম সৌভাগ্য।’’ আবার ভিডিয়োটি দেখে সন্দেহও প্রকাশ করেছেন অনেকে। এক জনের কথায়, ‘‘এই ভিডিয়োর সত্যতা নিয়ে সন্দেহ হয়। ওয়াশিং মেশিনের ভিতর মনে হয় ক্রেতাই টাকা গুঁজে রেখেছিলেন। তা ছাড়া এই নোটগুলি আসল কি না তা যাচাইয়ের প্রয়োজন।’’