ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
বন্ধুর সঙ্গে মাঝরাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে গল্প করছিলেন তরুণ। ভুলবশত নিজেদের বারান্দায় ‘বন্দি’ করে ফেলেন তাঁরা। কোনও ভাবেই আর বারান্দা থেকে বেরোতে পারছিলেন না দু’জনে। তখনই বিপদ থেকে বাঁচার জন্য একটি উপায় বার করলেন দুই তরুণ। অনলাইনে জিনিস অর্ডার করলেন শুধুমাত্র ডেলিভারিকর্মীর সাহায্য পেতে। তার পর ফোনে সেই কর্মীকে বিস্তারে ঘটনাটি জানালে তিনিই ঘরে ঢুকে বারান্দা থেকে উদ্ধার করেন দুই তরুণকে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমের পাতায় এমনই একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।
‘মিতিওর’ নামের অ্যাকাউন্ট থেকে ইনস্টাগ্রামের পাতায় একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে যে, দুই তরুণ বারান্দায় দাঁড়িয়ে এক ডেলিভারিকর্মীর সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। রাত ৩টের সময় অনলাইনে অর্ডার দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু সেই ডেলিভারিকর্মী আসলে তাঁদের উদ্ধারকর্তা হিসাবে আসছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই ঘটনাটি পুণেতে ঘটেছে। তরুণের নাম মিহির গাহুকর। রাত ৩টের সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছিলেন মিহির।
কোনও ভাবে বারান্দায় আটকে পড়েন। ভিতর থেকে বারান্দার দরজা বন্ধ হয়ে গেলে ঘরে ঢোকার আর কোনও উপায় পাচ্ছিলেন না তাঁরা। অবশেষে অনলাইনে অর্ডার করে ডেলিভারিকর্মীর কাছ থেকে সাহায্য চান। সদর দরজার বাইরে চাবি রাখা ছিল। তা খুলে সোজা ঘরে ঢুকে যান তরুণ ডেলিভারিকর্মী। বারান্দার দরজা খুলে দুই তরুণকে উদ্ধার করেন তিনি। সমাজমাধ্যমের পাতায় এই ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ায় ডেলিভারিকর্মীর প্রশংসায় ভরে উঠেছে নেটপাড়া। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘এত রাতে যে ডেলিভারিকর্মী এসে আপনাদের উদ্ধার করেছেন, সে কারণে বকশিশ দেওয়া উচিত।’’
আবার তরুণের বুদ্ধির নিন্দাও করেছেন অনেকে। এক নেটব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘‘বুদ্ধির বলিহারি! হাতে যখন ফোন ছিল, তখন প্রতিবেশী অথবা নিরাপত্তারক্ষীকে ডাকলেই তো পারতেন। ভিডিয়ো বানানোর জন্যই কি এই বুদ্ধি এল?’’