Viral Video

বরফঢাকা রাস্তায় প্লাস্টিকের কৌটো মাথায় আটকে কাতরাচ্ছিল শিয়ালশাবক! সাহায্য করলেন পর্বতারোহী, ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তুষারাবৃত পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন দুই পর্বতারোহী। বরফে ঢাকা রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎই একটি ছোট লোমশ প্রাণীকে কাতরাতে দেখে থমকে যান তাঁরা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:৩২
Share:

শিয়ালশাবককে উদ্ধার করছেন পর্বতারোহী। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

বরফে ঢাকা পাহাড়ি এলাকায় প্লাস্টিকের কৌটো মাথায় আটকে কাতরাচ্ছিল শিয়ালশাবক। এসে উদ্ধার করলেন এক পর্বতারোহী। শিয়ালশাবকের মাথা থেকে কৌটো সরিয়ে মুক্ত করলেন তাকে। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কোথায় এবং কবে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, তুষারাবৃত পাহাড়ি এলাকায় হাঁটছেন দুই পর্বতারোহী। বরফে ঢাকা রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎই একটি ছোট লোমশ প্রাণীকে কাতরাতে দেখে থমকে যান তাঁরা। দেখেন ওই লোমশ প্রাণীটি একটি শিয়ালশাবক। তার মাথা একটি প্লাস্টিকের কৌটোয় আটকে যাওয়ায় অসহায় ভাবে পড়ে রয়েছে সে। ক্লান্ত, ভীত এবং অসহায় লাগছে তাকে। মুক্তির উপায় খুঁজছে সে। এক জন পর্বতারোহী শিয়ালশাবকটিকে উদ্ধারের জন্য এগিয়ে যান। এক টানে প্লাস্টিকের কৌটো বার করে আনেন শিয়ালের মাথা থেকে। মুক্তি পেয়েই বরফের রাস্তা ধরে দৌড়ে পালায় সে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। পর্বতারোহীদের মতে, ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের পাত্রের ভিতরে খাবার খুঁজতে গিয়েই সম্ভবত শিয়ালটির মাথা আটকে গিয়েছিল।

সেই ঘটনার ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে ‘এনিজ়েটর’ নামের এক্স হ্যান্ডল থকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমন পর্বতারোহীদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন অনেকে। অনেকে আবার প্রত্যন্ত প্রাকৃতিক অঞ্চলে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বন্যপ্রাণীর জন্য প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, “এই কারণেই প্লাস্টিক বর্জ্য বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকারক। এই ধরনের কাজের জন্য একটি নিরীহ প্রাণ যেতে পারত।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement