অল্প জমিতেই লাভ

আপেল কুল

তাইল্যান্ডের কিছু কুলের জাত বাংলাদেশ হয়ে ভারতের নানা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বাদে চমৎকার ও ফলনে লাভজনক এই কুলের কিছু বৈশিষ্ট রয়েছে। লিখছেন শুভদীপ নাথ, সহ-উদ্যানপালন অধিকর্তা, মুর্শিদাবাদএই কুলগুলির বেশ কয়েকটি ছোট আপেলের মতো আভাযুক্ত বলে আপেল কুল নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি (বাউ) থেকে কয়েকটি জাত নির্বাচন করা হয়েছে বলে একে বাউ কুলও বলে। এ রাজ্যে চাষে দু’তিন রকম বিদেশি কুলই প্রধান।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:০৬
Share:

এই কুলগুলির বেশ কয়েকটি ছোট আপেলের মতো আভাযুক্ত বলে আপেল কুল নামে পরিচিত। বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি (বাউ) থেকে কয়েকটি জাত নির্বাচন করা হয়েছে বলে একে বাউ কুলও বলে। এ রাজ্যে চাষে দু’তিন রকম বিদেশি কুলই প্রধান।

Advertisement

বাউ কুল: কিছুটা লম্বাটে গোল। এর ফলন সব থেকে বেশি। প্রতিটির ওজন ৫০ থেকো ৭৫ গ্রাম।

আপেল কুল: গোলাকার। উপরের দিকে লালচে আভা রয়েছে। বাউ কুলের থেকে ফলন কিছুটা কম।

Advertisement

মাধব কুল: ছোট ও খেতে সুস্বাদু। পাকলে উজ্জ্বল হলুদ ও পরে লালচে। ওজন ২০ থেকে ২৫ গ্রাম।

কলম লাগানো

Advertisement

চৈত্র-বৈশাখের মধ্যে কলম লাগাতে হবে। কারণ, প্রথম বর্ষায় বড় হয়ে আশ্বিন থেকে ফুল আসার পরে শীতকালে গাছ ফলন দেয়। কমপক্ষে দশ ফুট বাই ১০ ফুট দূরত্বে কলম লাগান। এক বিঘা জমিতে ১০০-১১০টি গাছ লাগানো যাবে।

গাছের পরিচর্যা

গাছগুলি ১০ -১২ ফুট উঁচু ও ছড়ানো হয়। চারিদিকে ৫-৬ ফুট ব্যাসে ছড়িয়ে ঝুলে যায়। তাই ফুল ও ফল ধারণ করাতে তা বাঁশের মাচার উপরে রাখতে হবে। এতে গাছের বাড় ভাল হয় ও ফলের গুণমান উন্নত হয়। ভাদ্র মাসে ফুল আসার পরে বার দু’য়েক অনুখাদ্য মিশ্রণ ও প্ল্যানোফিক্স স্প্রে করুন। শীতের ফল শেষে বসন্তে পুরো ফল সংগ্রহ করে কোমর উচ্চতায় শাখা-প্রশাখা কেটে দিলে নতুন ডাল বেরিয়ে পরের শীতে বেশি ফলন হয়। প্রতি গাছে ৫০ থেকে ৮০ কেজির মতো ফলন। পরিচর্যা ঠিক হলে পরের বছরগুলিতে ১০০ কেজি ফলন পাবেন। বর্ষায় ফলন বাঁচানো মুশকিল তাই এ ভাবে চাষ অভ্যাস করা যেতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement