শাসকদলকে আক্রমণ বিজেপি নেতার। —নিজস্ব চিত্র।
আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে ‘শাসকদলের ভোট লুট ঠেকাতে’ ঠেঙাড়ে বাহিনী তৈরি রাখার জন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিলেন বনগাঁর বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল। সেই সঙ্গে তাঁর নিদান, পঞ্চায়েত ভোট লুঠ করতে এলে হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দেবেন। যদিও তৃণমূলের দাবি, তৃণমূল লুটের রাজনীতি করে না। ফলে স্বচ্ছ ভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে।
মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার শিমুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানিকীরা দেশপাড়াতে বিজয়া সম্মিলনীতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। হাজির ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। তাঁদের সামনেই নিজের ভাষণে বেনজির ভাবে শাসকদলকে আক্রমণ করেন বনগাঁ জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক দেবদাস। আগামী বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুট হতে দেখলে কী করতে হবে, দলীয় কর্মীদের সে পরামর্শও দেন তিনি। দেবদাস বলেন, ‘‘২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের মতো নয়। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের জন্যে ঠেঙাড়ে বাহিনী তৈরি রাখবেন। চার হাতের বাঁশও তৈরি রাখবেন। ভোট লুঠ করতে এলে হাঁটুর মালাইচাকি ভেঙে দেবেন।’’
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন দেবদাস। তিনি বলেন, ‘‘ভবিষ্যতে দেখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ক্যাবিনেট মিটিং হবে প্রেসিডেন্সি জেলে। কারণ দলটাই চোরেদের দল।’’
বিজেপি নেতার এই মন্তব্যের জবাবে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। বনগাঁ জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায় বলেন, ‘‘তৃণমূল ভোট লুটের রাজনীতি করে না। এ বার ভোট লুঠ হবে না। নিষ্ঠার ও সততার সঙ্গে পঞ্চায়েত ভোট হবে। উনি পাগল হয়ে গিয়েছেন। কোন পাগলা গারদে যাবেন, সেটা ঠিক করুন।’’