Calcutta High Court

দময়ন্তীর পরে কাকদ্বীপের জোড়া খুনের তদন্তে আইপিএস মুরলী ধর শর্মা, নির্দেশ দিল হাই কোর্ট

২০১৮ সালের ১৪ মে কাকদ্বীপে স্থানীয় সিপিএম কর্মী দেবপ্রসাদ দাস এবং তাঁর স্ত্রী উষারানি দাসের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, ঘরে আগুন লাগিয়ে ওই দম্পতিকে পুড়িয়ে খুন করা হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৮:২৭
Share:

কাকদ্বীপে জোড়া খুনের তদন্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন পুলিশ অফিসার দময়ন্তী সেন। হাই কোর্টের নির্দেশে এ বার তদন্ত করবেন অফিসার মুরলী ধর শর্মা। — ফাইল চিত্র।

কাকদ্বীপে জোড়া খুনের ঘটনার তদন্তভার আইপিএস অফিসার মুরলী ধর শর্মাকে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের নির্দেশ, ওই ঘটনার তদন্ত করবেন মুরলী। আগামী ৪ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন মুরলীকে তদন্তের বর্তমান অবস্থান জানিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে।

Advertisement

২০১৮ সালের ১৪ মে কাকদ্বীপে স্থানীয় সিপিএম কর্মী দেবপ্রসাদ দাস এবং তাঁর স্ত্রী উষারানি দাসের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, ঘরে আগুন লাগিয়ে ওই দম্পতিকে পুড়িয়ে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বিচারপতি মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ সিট গঠনের নির্দেশ দেয়। আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে চার জনের দল ওই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। সম্প্রতি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তদন্ত থেকে অব্যাহতি নেন দময়ন্তী।

সোমবার বিচারপতি ঘোষের পর্যবেক্ষণ, ২০১৮ সালের ঘটনায় ২০২৩ সালে আদালত সিট গঠনের নির্দেশ দেয়। ফলে এত দিনে দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে সিট যে তদন্ত করেছে, তা নিয়ে রিপোর্ট দেওয়া যেতে পারে। রিপোর্টে জানাতে হবে, তদন্ত কতদূর হয়েছে। ওই বিষয়ে মামলাকারীর কোনও আপত্তি থাকলে আদালত তা শুনবে। তার পরেই পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement