যুবক খুনে ধৃত স্ত্রী-সহ ৪ জন

যুবক খুনে স্ত্রী ও ৩ যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার রাতে কুলপির মদনমোহনপুর গ্রাম থেকে স্ত্রী সুমিত্রা সর্দার ও কাঁসারিরচক গ্রামের অমিত পাইক, অমিত বিজলি ও বুবাই কর নামে ওই চার জনকে ধরা হয়। ধৃতদের মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবার আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। মূল অভিযুক্ত অমিত করণ এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। মদনমোহনপুর গ্রামের জগদীশ সর্দার (৩১) ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:১৯
Share:

যুবক খুনে স্ত্রী ও ৩ যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার রাতে কুলপির মদনমোহনপুর গ্রাম থেকে স্ত্রী সুমিত্রা সর্দার ও কাঁসারিরচক গ্রামের অমিত পাইক, অমিত বিজলি ও বুবাই কর নামে ওই চার জনকে ধরা হয়। ধৃতদের মঙ্গলবার ডায়মন্ড হারবার আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। মূল অভিযুক্ত অমিত করণ এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। মদনমোহনপুর গ্রামের জগদীশ সর্দার (৩১) ১৫ জানুয়ারি শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি। পর দিন তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল কাকদ্বীপের ১৩ নম্বর দক্ষিণ চণ্ডীপুরের অমিত পাইকের সঙ্গে। সোমবার তাকে আটক করে পুলিশ। জেরায় অমিত স্বীকার করে, শনিবার রাতে ১১৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে একটি গাড়িতে তুলে প্রচুর মদ খাওয়ানো হয় জগদীশকে। শ্বাসরোধ করে খুন করে বস্তায় বেঁধে মৃতের বাড়ি থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দূরে কাঁসারিরচক গ্রামে একটি পুকুরে ফেলা দেওয়া হয় দেহটি। খুনের পান্ডা স্থানীয় সিংহেরহাট গ্রামের অমিত করণ। অমিত ও জগদীশের পরিবার দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করত। সেখানে জগদীশের স্ত্রী সুমিত্রার সঙ্গে অমিতের ঘনিষ্ঠতা হয়। কিছু দিন আগে ওই দুই পরিবার বাড়িতে ফেরে। বছর আঠাশের যুবক অমিতের প্রেমের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় জগদীশ। তাই তাকে দুনিয়া থেকে সরাতে তিন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে খুন করে প্রেমিকার স্বামীকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে খুন, দেহ লোপাট ও খুনের ষড়যন্ত্রের মামলা করা হয়।

Advertisement

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement