সঞ্জয় দাস। — ফাইল চিত্র।
দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপ্রতিনিধি তথা চেয়ারম্যান পারিষদ (স্বাস্থ্য) সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুকে প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রের খবর, ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট সেই দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। রবিবার রাত পর্যন্ত ওই ঘটনায় মৃতের পরিবার বা তৃণমূলের তরফে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।
শনিবার সকালে নিজের ফ্ল্যাটে ওই পুরপ্রতিনিধিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়। নাগেরবাজার থানার পুলিশ এই মৃত্যুর তদন্ত করছে। তদন্তকারীদের অনুমান, মৃত্যুর নেপথ্যে রয়েছে মানসিক চাপ। যার পিছনে অবসাদ, অশান্তি, প্ররোচনা কিংবা অন্য কারণ রয়েছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তৃণমূল নেতৃত্ব শনিবার দাবি করেছিলেন, ভোট পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক পরিবেশের কারণেই মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল সঞ্জয়ের। পাল্টা বিজেপির বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি সমাজমাধ্যমে নিজের পেজে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেন। তিনি লেখেন, সঞ্জয়ের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে ওই পুরপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রাজনৈতিক মহলের আলোচনায় ছিল। দক্ষিণ দমদমের ওই পুরপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ রয়েছে কিনা, সে বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও কোনও তথ্য সামনে আসেনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনায় অবশ্য এই মানসিক চাপের নেপথ্যে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ একাধিক পুরপ্রতিনিধি, প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ পুরপ্রতিনিধির গ্রেফতারির বিষয়টি উঠে আসছে। তৃণমূলের তরফে এই চাপ তৈরির পিছনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ওই পুরপ্রতিনিধিকে টাকা চেয়ে চাপ দেওয়া এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই পুলিশ জানিয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে