মুর্শিদাবাদের সুতির জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
ভাবছে গায়ের জোরে জিতবে, ঘেঁচু জিতবে! অনুরোধ করব, কেউ দাঙ্গা করবেন না। গন্ডগোলে যাবেন না। শান্ত থাকুন। বিজেপি, যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা। মানুষের রায়ে ওদের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কেউ প্ররোচনা দিলে তাতে পা দেবেন না। বিজেপির কথায় ধর্ম নিয়ে ভাগাভাগি করবেন না।
মালদহে গন্ডগোল হল কেন? সবাইকে তো সরিয়ে দিয়েছেন। আমি গন্ডগোল সমর্থন করি না। আমি শান্তির পক্ষে। যাঁরা গন্ডগোল করিয়েছেন, তাঁরা আমাদের দলের নন। যাঁরা করিয়েছেন আমি জানি, কোন রাজনৈতিক দল। এতে বিজেপিরও পরিকল্পনা আছে।
ওরা ধর্মে ধর্মে বিভাজন করে। কাজ করেনি একটাও। ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে বলেছিল। দেয়নি। এসআইআর করে ইলেকশনের আগে সর্বনাশ করল। চার দিকে ইডি রেড করাচ্ছে। ইলেকশনের আগে কেন? সব দিক দিয়ে চক্রান্ত করছে। অমিত শাহ-মোদীর দল গণতন্ত্রকে শেষ করে দেবে। বিজেপি-কে তোপ মমতার।
ভাবছেন শুধু আপনাদের এখানে নাম বাদ দিয়েছে? আমার ভবানীপুরেও ৪০ হাজার ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে। উকুন বাছার মতো। তার মধ্যে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা বেশি। সংখ্যালঘু এবং হিন্দু মা-বোনেদের নাম বাদ দিয়েছে।
বুধবার মালদহে এই ঘটনা ঘটেছে। তাই নিয়ে সিবিআই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এনআইএ দিয়েছে। রাজ্যে যাঁদের শো কজ় করেছে তা নিয়ে কিছু বলার নেই। কিন্তু মালদহের ঘটনা দিয়ে পুরো স্টেটকে বদনাম করা হয়েছে। আন্দোলন করতেই পারেন। জাজেদের গায়ে কেউ হাত দেবেন না।
বিজেপি অনেক পরিকল্পনা করেছে। গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া পরিকল্পনার দোসর। অমিত শাহ চক্রান্তের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করছেন। অনুরোধ করব, কেউ দাঙ্গায় যাবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান।
বাংলা ভাষায় কথা বললে বিজেপির রাজ্যে তাঁকে মেরে ফেলা হয়। অত্যাচার করা হয়। বিজেপি-কে আক্রমণ মমতার। আপনি কী খাবেন, কোন ভাষায় কথা বলবেন, ঠিকানা, আশ্রয়, শিক্ষা, সংস্কৃতি যদি রক্ষা করতে চান, তৃণমূল ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই।
যত কাঁচাবাড়ি আছে, আগামী দিনে সব আমরা পাকা করে দেব। প্রত্যেক ঘরে ঘরে নলকূপ পৌঁছে দেব। নলে জল পাবেন। এক কোটি পরিবার পেয়েছে। বাকিটা করে দেব। সুতির জনসভা থেকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।