—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
‘সুপার চেকিং’ চলছে। একের পর এক পুনর্যাচাইয়ের নির্দেশ আসছে। তটস্থ একাংশ ইআরও, এইআরও। সামান্য ত্রুটি-বিচ্যুতি হলেই শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। সম্প্রতি কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে রাজ্যের সাতজন এইআরও-কে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করারও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ওই সাতজনের একজন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার এইআরও দেবাশিস বিশ্বাস।
পূর্ব সূচি অনুযায়ী, এসআইআরের শুনানির শেষ দিন ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, শুনানির শেষ দিন ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘স্ক্রুটিনি’ চলবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, এসআইআর পর্বে এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজড হওয়ার পর গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। এরপর শুরু হয় শুনানিপর্ব। যাঁদের নাম ‘নো- ম্যাপিং’ তালিকাভুক্ত হয়েছিল, শুরুতে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। যাঁদের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ তালিকাভুক্ত হয়েছিল, পরে তাঁদেরও শুনানিতে ডাকা হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরেও ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়েছিল। এই জেলায় ‘নো ম্যাপিং’ ভোটার ছিল প্রায় ৬৫ হাজার। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ ভোটার ছিল প্রায় সাত লক্ষ ৫৪ হাজার।
‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ তালিকাভুক্ত সবাইকে অবশ্য শুনানিতে ডাকা হয়নি। শুরুতে বিএলও-রা যাচাই করেছিলেন। মুচলেকা দিয়েছিলেন। যাচাইয়ের পরেও যাঁদের ক্ষেত্রে সন্দেহ রয়ে গিয়েছিল, তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। জেলার এক নির্বাচন-আধিকারিকও বলেন, ‘‘যাঁদের ক্ষেত্রে তথ্য সন্দেহজনক ঠেকেছে কমিশনের, তাঁদেরই ডাকা হয়েছে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে