Keshpur Death Case

অসমে কাজ করতে গিয়ে খুন কেশপুরের দুই যুবক! পুলিশের দ্বারস্থ দুই পরিবার, বিজেপিকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার মৃতের পরিবারের লোকজন গ্রামবাসীদের নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে দেহ ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৮
Share:

মঙ্গলবার বিক্ষোভে কেশপুরের বাসিন্দারা। —নিজস্ব ছবি।

রুজির টানে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের কয়েক জন যুবক দল বেঁধে গিয়েছিলেন অসমে। ফেরিওয়ালার কাজ করে তাঁদের মধ্যে দুই যুবককে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারে ওই ঘটনার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে বাংলাভাষী মানুষদের উপর অত্যাচার চলছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে খবর, মৃতদের নাম আরফিক রহমান খান এবং জাহাঙ্গির মির্জা। ২৪ এবং ২৯ বছরের ওই দুই যুবক বিভিন্ন জায়গায় কম্বল, বেডকভার, বেডশিট ইত্যাদি ফেরি করতেন। তাঁদের বাড়ি কেশপুরের চরকা গ্রামে। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিয়ো দেখে (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম) দুই যুবক চিহ্নিত করেছে তাঁদের পরিবার। তাঁদের দাবি, ওই দুই যুবকের সঙ্গে তাঁদের গাড়ির চালকও মারা গিয়েছেন। তিনি অসমের বাসিন্দা। ইতিমধ্যে তাঁদের দেহ কবরস্থ করা হয়েছে। আরফিকের দাদা নাসিম বলেন, ‘‘গত ফেব্রুয়ারি মাসে কম্বল, গদি বিক্রির জন্য গ্রামের ৬ জন যুবক গিয়েছিল। তাদের মধ্যে আমার ভাই-ও ছিল। গত ১৬ মার্চের পর ওর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারিনি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, ৪ এপ্রিল ওদের মৃত্যু হয়েছে। কবরও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আসলে ওদের কেউ খুন করেছে।’’ তিনি জানান, ৫ এপ্রিল কেশপুর থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার মৃতের পরিবারের লোকজন গ্রামবাসীদের নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে দেহ ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের তরফে এ নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার একটি সভা থেকে মমতা জানান, বাংলা ভাষায় কথা বললে বাংলাদেশি বলে আক্রমণ করা হচ্ছে। ভিন্‌রাজ্যে হোটেলেও থাকতে পারছেন না পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা। এ নিয়ে বিজেপিকে একহাত নেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement