Coronavirus

কলকাতা যোগ, আক্রান্ত যুবক

চন্দ্রকোনা রোডের শঙ্করকাটা গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে সেনপুকুর পাড়ার বাসিন্দা বছর আঠাশের এক যুবকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভের এসেছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জুন ২০২০ ০৩:০৭
Share:

প্রতীকী ছবি।

ফের করোনা সংক্রমণ চন্দ্রকোনা রোডে। এই নিয়ে দু'সপ্তাহের মধ্যে তিনজনের করোনা পজ়িটিভের খবর এল এই ব্লকে। প্রতিটিতেই মিলল কলকাতা যোগ।

Advertisement

চন্দ্রকোনা রোডের শঙ্করকাটা গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে সেনপুকুর পাড়ার বাসিন্দা বছর আঠাশের এক যুবকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভের এসেছে। মঙ্গলবার সকালে ওই কন্টেনমেন্ট জ়োন (গণ্ডিবদ্ধ এলাকা) হিসাবে চিহ্নিত করে এলাকা সিল করেছ পুলিশ। মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ার। ওই যুবকের বাড়ির লোকজনদের গৃহ পর্যবেক্ষণে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসার জন্য ওই যুবকের সঙ্গে কলকাতায় গিয়েছিলেন তাঁর দিদি, জামাইবাবু এবং আরও একজন। তিনজনকেই মঙ্গলবার চন্দ্রকোনা রোডের একটি সরকারি কোয়রান্টিন কেন্দ্রে পাঠিয়েছে পুলিশ। ওই যুবক এখনও কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় বাসিন্দা পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ জ্ঞানাঞ্জন মণ্ডল বলেন, ‘‘পজ়িটিভ রিপোর্ট আসতেই এলাকার মানুষকে সতর্ক করে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে। এলাকাকে কন্টেনমেন্ট জ়োন করে দিয়েছে পুলিশ। তাঁর পরিবারের সঙ্গে ওই যুবকের ফোনে কথা হয়েছে। আক্রান্ত যুবক ভাল আছেন।’’ জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক গিরীশচন্দ্র বেরা বলেন, ‘‘চন্দ্রকোনা রোডের ওই যুবক কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে বলে শুনেছি।’’

Advertisement

চন্দ্রকোনা রোডের বছর আঠাশের ওই যুবক ট্রাক্টর চালাতেন। এক সপ্তাহ আগে বুকের ব্যথা হওয়ায় তিনি মেদিনীপুরের এক বেসরকারি নার্সিংহোমে যান। সেখান থেকে ৩১ মে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্ট করার জন্য কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানেই ওই যুবকের করোনা পরীক্ষা হয়। সোমবার রাতে রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। সেই খবর স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এলে রাত থেকেই এলাকায় তৎপরতা বাড়ায় পুলিশ। সকালে রাস্তায় বাঁশ বেঁধে গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়।

চন্দ্রকোনা রোডে গত দু’সপ্তাহের মধ্যে তিনজনের করোনা পজ়িটিভের খবরে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রতি ক্ষেত্রেই খবর পাওয়া মাত্র সংশ্লিষ্ট এলাকাকে গণ্ডিবদ্ধ এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করে দিয়েছে পুলিশ। গোবিন্দচক, স্টেশনপাড়ার পর সেই তালিকায় যুক্ত হল সেনপুকুর পাড়া। এইসব এলাকার বাসিন্দারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে কি না, তা নজরে রাখা হচ্ছে। তিনটি ক্ষেত্রেই কলকাতার নির্দিষ্ট এক বেসরকারি হাসপাতালের যোগসূত্র থাকায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement