Coronavirus

উপসর্গহীন আক্রান্তের চিকিৎসা ‘নিরাপদ বাড়ি’তে

১৮ জুন থেকে ‘নিরাপদ বাড়ি’ চিকিৎসা কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। 

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২০ ০৬:৪০
Share:

প্রতীকী ছবি।

করোনা আক্রান্তদের মধ্যে যাঁদের উপসর্গ নেই বা অপেক্ষাকৃত কম উপসর্গ আছে এমন রোগীদের নিরাপদ বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা করা হবে বলে জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে আটটি জায়গায় রোগীদের রেখে চিকিৎসা করে হবে। ওই জায়গাগুলিকে বলা হচ্ছে ‘নিরাপদ বাড়ি।’

Advertisement

জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তার কথায়, “আগামী দিনে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকবে ধরে নিয়েই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে।”

১৮ জুন থেকে ‘নিরাপদ বাড়ি’ চিকিৎসা কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। একেবারে প্রথমে তা শুরু হবে করিমপুর কর্মতীর্থ, বেথুয়াডহরি আইটিআই ও হরিণঘাটা আইটিআইতে। চার পর ২২ জুন থেকে বেতাই কর্মতীর্থ, বেলতলা কর্মতীর্থ ও হাঁসখালি কৃষকবাজারে, ২৬ জুন থেকে ফুলিয়া কৃষকবাজার ও ১ জুলাই থেকে সুবোধ চন্দ্র হাঁসদা মেমোরিয়াল নার্সিংহোমে ‘নিরাপদ বাড়ি’ শুরু হবে।

Advertisement

প্রতিটিতে ৫০ জন করোনা আক্রান্তের থাকার ব্যবস্থা করে হবে। তিনটে শিফটে এক জন করে নার্স বা এএনএম থাকবেন। থাকবেন অন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। তিনটে শিফটে দু’জন করে চিকিৎসক রাউন্ড দিয়ে যাবেন। কোনও রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে তাঁকে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “করোনা প্রতিরোধের জন্য এই সব পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।”

Advertisement

নদিয়া জেলায় এখনও পর্যন্ত ১৯৫ জন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এঁদের অধিকাংশ পরিযায়ী শ্রমিক। আগামী দিনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলে ভিন রাজ্য থেকে আরও শ্রমিক ফিরবেন এবং তাতে রোগ সংক্রমণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করেই এই সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

কৃষ্ণনগরের কর্মতীর্থের কোয়রান্টিন সেন্টারকে বন্ধ করে দিয়ে সেখানে ৫০ শয্যার একটি সারি হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে। এই সপ্তাহের শেষেই হাসপাতাল চালু হয়ে যাবে বলে কর্তারা জানিয়েছেন।

শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে ৬৫ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে। জেলা সদর হাসপাতালে প্রসূতি মায়েদের জন্য তৈরি করা হয়েছে ১০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড। তেহট্ট ও রানাঘাট মহকুমায় ৩০ শয্যার এবং চাকদহ, শান্তিপুর ও নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ২০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড হয়েছে। গ্রামীণ ও ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে ১০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি হচ্ছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement