Coronavirus

পজ়িটিভ আরও ছয়, বাড়ল চিন্তা

বর্তমানে মৃতার স্বামী, ছেলের বউ, নাতনি এবং এক আত্মীয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের রেসপিরেটরি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২০ ০৬:২৩
Share:

প্রতীকী ছবি।

নতুন করে সংক্রমণের ইঙ্গিত মিলল উত্তরবঙ্গের আরও ৬ জনের দেহে। এঁরা সকলেই হয় কালিম্পংয়ে মৃতার আত্মীয় বা তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন। এর সঙ্গে বুধবারে যে ৪ জনের দেহে ফার্স্ট স্ক্রিনিং বা প্রাথমিক রিপোর্টে সংক্রমণের ইঙ্গিত মিলেছিল, তাঁদের দেহে সংক্রমণ হয়েছে বলেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে উত্তরবঙ্গে সব মিলিয়ে ১০ জনের দেহে সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

তবে কালিম্পঙের যে চিকিৎসকের কাছে মহিলা শ্বাসকষ্ট নিয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন, তাঁর সোয়াব পরীক্ষায় কিছু মেলেনি। তিনি হোম কোয়রান্টিনে রয়েছেন। মহিলার আত্মীয় এবং তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছিলেন, এমন ২৭ জনকে এখন পর্যন্ত কোয়রান্টিনে রাখা হয়েছে। তাঁদের একাংশের সোয়াবের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যেই ৬ জনের নমুনার ফার্স্ট স্ক্রিনিংয়ে পজিটিভ এসেছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। ওই আক্রান্তরা কালিম্পংয়ে আছেন। সেখান থেকে শিলিগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনার ভাবানাচিন্তা চলছে।

বর্তমানে মৃতার স্বামী, ছেলের বউ, নাতনি এবং এক আত্মীয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের রেসপিরেটরি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি। এদিন করোনা সন্দেহে এক জনকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করানো হয়েছে। সেখানে সব মিলিয়ে রোগীর সংখ্যা পাঁচ জন।

Advertisement

উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল সূত্রে খবর, এখানকার ভাইরোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি অপেক্ষা করছিল আইসিএমআর-এর অনুমোদনের। কেন না, প্রথম যে ১০টি নমুনা এখানে পরীক্ষা করা হয়, সেগুলির রিপোর্ট ঠিক কি না, পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি তা খতিয়ে দেখে তবেই অনুমোদন দেয়। লকডাউন পরিস্থিতিতে নমুনা পুণেতে পাঠানো যাচ্ছিল না বলে নাইসেডের কাছে পাঠানোর আবেদন করা হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের তরফে। তাতে সম্মতি দেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি কর্তৃপক্ষ। নাইসেড নমুনা পরীক্ষার পর জানায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের রিপোর্ট ঠিক। এ দিন তাই আইসিএমআর এখানকার ল্যাবরেটরিটিকে অনুমোদন দিয়েছে। এ বার থেকে এখানে পরীক্ষার পরেই চিকিৎসকরা চটজলদি রিপোর্ট জানতে পারবেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মহিলার মৃত্যু এবং তাঁর সংস্পর্শে আসা ১০ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ার ইঙ্গিতে উদ্বিগ্ন কালিম্পঙের বাসিন্দারাও। এদিন জিটিএ প্রধান অনীত থাপা কালিম্পঙে গিয়ে প্রশাসনিক এবং স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement